kalerkantho

কালের কণ্ঠে সংবাদ প্রকাশের পর

সরানো হলো রেলস্টেশনের নাম ঢেকে রাখা ফেস্টুন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ আগস্ট, ২০১৯ ২১:১৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সরানো হলো রেলস্টেশনের নাম ঢেকে রাখা ফেস্টুন

বাম থেকে- ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনের প্রবেশদ্বার আগে ও পরে। ছবি : মোশাররফ হোসেন, সোহেল রানা ভুঁইয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনের নাম লেখা সাইনবোর্ডের ওপর থেকে অবশেষে সরানো হলো কথিত নেতাদের আত্মপ্রচারের ফেস্টুন। গত ১৬ আগস্ট মোশাররফ হোসেন নামের একজন রেলওয়ের ফ্যান গ্রুপে ওই স্টেশনের প্রবেশদ্বারের একটি ছবি পোস্ট করেন। এরপর কালের কণ্ঠ অনলাইন 'নিজেদের নাম প্রচারে রেলস্টেশনের নামই ঢেকে দিয়েছে কথিত 'নেতা'রা!' শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এর একদিন পরেই বদলে গেল দৃশ্যপট। স্টেশনের নামটি এখন স্পষ্টই দেখা যাচ্ছে।

বেশ কয়েক বছর ধরেই নিজেদের নাম প্রচারের জন্য ফেস্টুন ঝুলিয়ে দেওয়ার বাজে একটা ট্রেন্ড শুরু হয়েছে। এই বিষয়ে নির্দিষ্ট আইন থাকলেও কেউ মানে না। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ভুঁইফোড় নেতারা মনে হয় এক কাঠি সরেস। তারা রেলস্টেশনের সাইনবোর্ডের ওপরেই ঈদ শুভেচ্ছার ফেস্টুন টাঙিয়ে দিয়েছিল। তাদের মধ্যে মামুনুর রহমান, এহতেশাম চৌধুরী, আওলাদ হোসেন, মানিক ভুইয়া, এনামুল হক পারভেজ প্রমুখের নাম ও ছবিসহ ফেস্টুন দেখা যায়।

আজ সোহেল রানা ভুঁইয়ার পোস্ট করা ছবিতে দেখা যাচ্ছে, স্টেশনের সাইনবোর্ড থেকে ফেস্টুন মোটামুটি সরানো হলেও স্বাধীন নামে এক ব্যক্তির বৈশাখী শুভেচ্ছার ফেস্টুন এখনও সরানো হয়নি। বিষয়টা অনেকটা দায়সারা। সোহেল রানা লিখেছেন, 'মোশাররফ হোসেনের পোস্ট এবং পরবর্তীতে কালের কণ্ঠের নিউজ কাভারেজের পর ফেস্টুন সরানো হলো। ফলে স্টেশনের নামটা দৃশ্যমান হলো। কিন্তু স্টেশন নামফলকের উপরের গুলো ছাড়া আশেপাশের এবং স্টেশনের ভেতরের সকল পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন বহাল তবিয়তেই আছে। কোনোরকম দায়সারা কাজ!'

কালের কণ্ঠের ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর দেশের বিভিন্ন এলাকার রেলস্টেশনের একই অবস্থার কথা জানান পাঠকরা। সব জায়গাতেই 'ফেস্টুন সন্ত্রাস' চালিয়ে নিজেদের নাম প্রচার করে যাচ্ছেন কথিত ভুঁইফোড় নেতারা। এসব নিয়ে কারও মাথাব্যথা নেই। ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে সব সাইনবোর্ড সরলেও স্বাধীন নামে এক ব্যক্তির বৈশাখী শুভেচ্ছার ফেস্টুন এখনও সরানো হয়নি। এতে যেমন আইন ভঙ্গ হচ্ছে, তেমনই নষ্ট হচ্ছে সৌন্দর্য।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা