kalerkantho

শনিবার । ১১ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০। ৮ সফর ১৪৪২

ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা স্কুলছাত্রী, শিক্ষক জহিরুল গ্রেপ্তার

বরগুনা প্রতিনিধি   

১৭ আগস্ট, ২০১৯ ২৩:১৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা স্কুলছাত্রী, শিক্ষক জহিরুল গ্রেপ্তার

শিক্ষক জহিরুল ইসলাম। ছবি: কালের কণ্ঠ

বরগুনার আমতলী উপজেলার কাঠালিয়া তাজেম আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের স্কুলছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষক শিক্ষক জহিরুল ইসলাম (৩৮) কে গ্রেপ্তার করেছে আমতলী থানা পুলিশ। শনিবার সকাল ১০টায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আমতলী থানার এসআই মো. ফয়সাল গোপন খবরের ভিত্তিতে পটুয়াখালীর চৌরাস্তা এলাকা থেকে শিক্ষক জহিরুলকে গ্রেপ্তার করেন।

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কাঠালিয়া তাজেম আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শরীর চর্চা শিক্ষক মো. জহিরুল ইসলাম ওই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে গত বছর ডিসেম্বর মাসে অনৈতিক কাজের প্রস্তাব দেয়। শুরুতে ওই ছাত্রী তার প্রস্তাবে রাজি হয়নি। ওই ছাত্রীর অভিযোগ পরীক্ষায় ফেল করানোর ভয় দেখিয়ে গত ছয় মাস ধরে তাকে শিক্ষক জহিরুল ইসলাম গাজী একাধিকবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এতে এ বছর ফেব্রুয়ারি মাসে ওই ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। 

অন্তঃসত্ত্বার ঘটনা শিক্ষক জহিরুল ইসলাম জানতে পেরে ছাত্রীকে জোরপূর্বক গর্ভপাত করানোর চেষ্টা করে। কিন্তু ওই ছাত্রী তাতে রাজি হয়নি। এ ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হয়ে গেলে শিক্ষক জহিরুল ইসলাম ছাত্রীর বাবাকে জীবননাশের হুমকি দিয়ে গর্ভপাত করাতে চাপ দেয়। ওই ছাত্রীর বাবা এতে রাজি না হওয়ায় জোর করে পটুয়াখালী নিয়ে গর্ভপাত করানো হয়েছে বলে অভিযোগ ওই ছাত্রীর। 

এ ঘটনায় গত ৩০ জুন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় লোকজন ধর্ষক শিক্ষক জহিরুল ইসলামের বিচার দাবি করে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর দাদা জালাল মাতবর বাদী হয়ে ৩০ জুন রাতে আমতলী থানায় শিক্ষক জহিরুলকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ এক মাস ১৭ দিন পলাতক থাকার পর শনিবার পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। দুপুরে ওই শিক্ষক জহিরুলকে আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে বরগুনা জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

আমতলী থানার এসআই মো. ফয়সাল বলেন, গোপন খবরের ভিত্তিতে শিক্ষক জহিরুলকে পটুয়াখালী চৌরাস্তা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমতলী থানার ওসি মো. আবুল বাশার বলেন, গ্রেপ্তারকৃত জহিরুল ইসলামকে শনিবার আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে বরগুনা জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা