kalerkantho

বুধবার । ২২ জানুয়ারি ২০২০। ৮ মাঘ ১৪২৬। ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

কেরানীগঞ্জে যুবক খুন

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি   

১৪ আগস্ট, ২০১৯ ২৩:২১ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কেরানীগঞ্জে যুবক খুন

প্রতীকী ছবি

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কদমতলী খাল পাড় এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক যুবক খুন হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিহত যুবকের নাম মো. রাজেস (২০)। সে আমবাগিচা এলাকার মো. লাবু মিয়ার বড় ছেলে। ঘটনাটি ঘটেছে আজ বুধবার সন্ধ্যার আগে। পুলিশ খবর পেয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়না তদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহতের বাবা মো. লাবু মিয়া জানান, তার তিন ছেলে। নিহত রাজেস সবার বড়। সে কালিগঞ্জ বড়ইতলা এলাকায় একটি লেদ মেশিন কারখানায় কাজ করতেন। বুধবার দুপুর ৩টার সময় সে ছোট ভাই রোহানের কাছ থেকে ১০০ টাকা নিয়ে বাসা থেকে বের হয়। এ সময় তার মা কোহিনুর বেগম ভাত খেয়ে যেতে বলেন। সে উত্তরে বলে মা আমি একটু বাইরে যাচ্ছি পরে এসে ভাত খাব। এর পর ঘণ্টা দুই পারে লোক মুখে জানতে পারি কে বা কাহারা আমার ছেলেকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেছে। তার সঙ্গের অন্য বন্ধুরা চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে গেছে। খবর পেয়ে আমি হাসপাতালে যাওয়ার উদ্দেশে রওনা দিলে পথিমধ্যে দেখি আমার ছেলেকে মৃত্যু অবস্থায় তারা নিয়ে আসতেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও আমাদের বাড়িতে এসে ছেলের লাশ ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়।

প্রত্যক্ষদর্শী রজ্জব জানান, নিহত রাজেস আমি ও আমাদের আরেক বন্ধু সাড়ে ৩টার সময় কদমতলী খাল পাড় এলাকায় আসি। এ সময় সেখানে গিয়ে দেখি সেখানকার বখাটে পাপ্পু নামের এক ছেলে অপর একটি ছেলে মোবাইল ফোন জোড় করে নিয়ে নিয়েছে। এ নিয়ে দু'জনের মধ্যে তর্কবিতর্ক চলছে। তখন রাজেস পাপ্পুকে ওই ছেলের মোবাইলটি দিয়ে দিতে বলেন। পাপ্পু মোবাইল না দিয়ে ওল্টো গাল মন্দ করতে থাকলে রাজেস পাপ্পুকে একটি চর মারে। চর খেয়ে পাপ্পু তার বাড়িতে গিয়ে ছুরি এনে রাজেসের পেটে মধ্যে পার (আঘাত) দেয়। এ সময় রাজেস মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। আমরা সঙ্গে সঙ্গে ডাকচিৎকার করতে থাকি। তখন পাপ্পু দৌড়ে পালিয়ে যায়। এবং এলাকার লোকজনের সহযোগিতা নিয়ে রাজেসকে চিকিৎসার জন্য মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্য ঘোষণা করে। পরে আমরা রাজেসের লাশ বাড়িতে নিয়ে আসি।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ শাহজামান বলেন, হত্যার খবর পাওয়ার পর আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে যা জানতে পারি। তা থেকে বলা যায় তুচ্ছ একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। আশা করি এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত রয়েছে অচিরেই তাদেরকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হবো এবং হত্যার সঙ্গে অন্য কোনো রহস্য থাকলেও তা বের করতো পারব। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা