kalerkantho

বুধবার । ২১ আগস্ট ২০১৯। ৬ ভাদ্র ১৪২৬। ১৯ জিলহজ ১৪৪০

ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ৩৫

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি   

১৪ আগস্ট, ২০১৯ ২০:০৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ৩৫

ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জের ভৈরব ও কুলিয়ারচর উপজেলার দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার দুপুর ১টার দিকে ভৈরব উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের মিরারচর গ্রামের বড় বাড়ি ও কুলিয়ারচর উপজেলার লালপুর গ্রামের ওমরা বাড়ির লোকজনের মাঝে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৩৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

জানা যায়, ঈদের দ্বিতীয় দিন গত মঙ্গলবার ভৈরব উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের মিরারচর গ্রামের বড় বাড়ি ও পার্শ্ববর্তী কুলিয়ারচর উপজেলার লালপুর গ্রামের ওমরা বাড়ির যুবকদের উদ্যোগে মিরারচর ঈদগাহ মাঠে ফুটবল খেলার আয়োজন করা হয়। খেলা চলাকালীন সময়ে ৮০ মিনিটের মাথায় ওমরা বাড়ির খেলোয়াড়রা ফাউল করলে রেফারি বাঁশির সংকেত দেয়। কিন্তু ওমরা বাড়ির খেলোয়াড়রা রেফারির নির্দেশ অমান্য করে খেলা চালিয়ে যায়। এতে দুই দলের মাঝে কথা কাটাকাটি হয়। পরে খেলার জাজমেন্ট ও রেফারির হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং খেলা সম্পন্ন হয়। ৯০ মিনিটের এ ফুটবল ম্যাচে ৪-২ গোলে জয়লাভ করেন ওমরা বাড়ির খেলোয়াড়রা। 

পরবর্তীতে খেলা শেষে বড় বাড়ির লোকজন ওমরা বাড়ির সড়কপথ দিয়ে যাওয়ার প্রাক্কালে ওমরার বাড়ির লোকজন লাঠিশোটা নিয়ে বড় বাড়ির লোকজনদের ধাওয়া করে। এ সময় বড় বাড়ির লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে নিজেদের গ্রামে ফিরে যায়। 

পরদিন আজ বুধবার দুপুর ১টার দিকে পুনরায় ওমরা বাড়ির লোকজন তাদের বাড়ির সামনে পেয়ে বড় বাড়ির একজনকে লাঠি নিয়ে ধাওয়া করে। এ খবর দুই বংশের লোকজনের কাছে পৌঁছলে দুইপক্ষই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

এ সময় টানা দুই ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষে ওমরা বাড়ির আলী হোসেন (২৮), শাহীন (২৯), জিল্লু মিয়া (২৫) ও অপরপক্ষ বড় বাড়ির রুস্তম (৩৫), ফরিদ মিয়া (৩২), জুয়েল (২৫), মামুন (৩২), রবিন মিয়া (২৫) শাহানা বেগম (৩০) নবী হোসেন (৪০), আরিফুল ইসলাম (১৭), সুমন (২৮) সহ অন্তত ৩৫ জন আহত হয়।

পরে খবর পেয়ে ভৈরব ও কুলিয়ারচর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। আহতদের অনেকে বর্তমানে জহুরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এ বিষয়ে ভৈরব থানার উপ-পরিদর্শক আমজাদ শেখের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, ফুটবল খেলায় কথা কাটাকাটিকে কেন্দ্র করে দুই উপজেলার দুই গ্রামের লোকজনের সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। তবে এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা