kalerkantho

মঙ্গলবার। ২০ আগস্ট ২০১৯। ৫ ভাদ্র ১৪২৬। ১৮ জিলহজ ১৪৪০

৯০০ চামড়া পুঁতে ফেলার ঘটনায় তিন সদস্যের কমিটি

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি   

১৪ আগস্ট, ২০১৯ ১৮:২১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৯০০ চামড়া পুঁতে ফেলার ঘটনায় তিন সদস্যের কমিটি

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়নের সৈয়দপুর হোসাইনিয়া হাফিজিয়া আরাবিয়া দারুল হাদিস মাদরাসা প্রাঙ্গণে ৯০০ কোরবানি পশুর চামড়া পুঁতে ফেলার ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আজ বুধবার জগন্নাথপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে থেকে সৈয়দপুর-পাহারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তৈয়ব মিয়া কামালীকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন উপজেলা স্যানেটারি ইন্সিপেক্টর লতিফুল বারী ও জগন্নাথপুরের ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার নবকুমার সিংহ।

জানা যায়, প্রতিবছরের মতো এবারও কোরবানি পশুর চামড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম থেকে সৈয়দপুর হোসাইনিয়া হাফিজিয়া আরাবিয়া দারুল হাদিস মাদরাসার পক্ষ থেকে সংগ্রহ করা হয়। কোরবানিদাতারা মাদরাসার উন্নয়ন তহবিলে চামড়াগুলো দান করেন। মাদরাসা কর্তৃপক্ষে চামড়া বিক্রয়ের জন্য দিনভর অপেক্ষা করেও বিক্রয় করতে পারেননি। প্রতিবাদে গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ ওই সব চামড়া বিক্রি করতে না পেরে মাদরাসার নিকটস্থ এলাকায় মাটিতে পুঁতে ফেলেন।

মাদরাসার মুহতামিম হাফেজ মাওলানা সৈয়দ ফখরুল ইসলাম বলেন, মাদরাসার উন্নয়নে বাড়ি বাড়ি গিয়ে কোরবানিদাতাদের নিকট থেকে কোরবানির পশুর ৯০০ চামড়া সংগ্রহ করি। এর মধ্যে গরুর চামড়া রয়েছে ৮০০ ও ছাগলের ১০০ পিস। কিন্তু চামড়া ক্রয় করতে কেউ আসেনি। বাধ্য হয়ে মাটিতে পুঁতে দেওয়া হয়েছে চামড়াগুলো।

তদন্ত টিমের প্রধান সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তৈয়ব মিয়া কামালী বলেন,  আমরা তদন্ত শুরু করেছি। বৃহস্পতিবার আমরা রিপোর্ট জমা দেব।

জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুল আলম মাসুম বলেন, মাদরাসা কর্তৃপক্ষ আর্থিকভাবে এখন স্বাবলম্বী। সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য তারা এ ধরনের কাজ করেছে। এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তের পর সিন্ধান্ত নেওয়া হবে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা