kalerkantho

মঙ্গলবার। ২০ আগস্ট ২০১৯। ৫ ভাদ্র ১৪২৬। ১৮ জিলহজ ১৪৪০

চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরলেন ভিপি নূর

গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি   

১৪ আগস্ট, ২০১৯ ১৭:৫৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরলেন ভিপি নূর

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার উলানিয়া বন্দরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি নুরুল হক নূরের মোটরসাইকেল বহরে হামলা হয়েছে। আজ বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে এ হামলায় নূরসহ ৪-৫ জন আহত হয়েছে।

সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. হাফিজুর রহমান ও গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতার মোর্শেদ (ওসি) নূরকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গ্রামের বাড়ি চরবিশ্বাস পাঠিয়ে দিয়েছেন।

বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, বুধবার নূরের গ্রামের বাড়ি চরবিশ্বাস থেকে ট্রলারযোগে বদনাতলী ঘাটে আসেন। তিনি মোটরসাইকেল বহর নিয়ে দশমিনা উপজেলায় বোনের বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হন। এ সময় তিনি উলানিয়া বন্দরের চৌরাস্তায় পৌঁছলে কতিপয় লোক তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে নূরসহ তার সফরসঙ্গীরা আহত হন।

সংবাদ পেয়ে এএসপি সার্কেল মো. হাফিজুর রহমান ও গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতার মোর্শেদ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নূরকে উদ্ধার করে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, হামলার নূরের শরীরের কয়েকটি স্থানে হালকা আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ব্যাপরে নূরের মোবাইল ফোনে কল দিলে রিসিভ করেন তার বন্ধু ও সফরসঙ্গী সোহরাওয়ার্দী কলেজের অ্যাকাউন্টিং বিভাগের রুবেল। তিনি বলেন, নূরু অসুস্থ। কথা বলতে পারছে না। আমরা উলানিয়া বন্দরে পৌঁছলে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। তিনি আরো বলেন, এ হামলার ঘটনায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা দায়ী।

এদিকে গলাচিপা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শরীফ আহমেদ আসিফ বলেন, আমরা নূরুর আহত হওয়ার খবর শুনে তাকে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করি। এ ঘটনার সাথে ছাত্রলীগ বা দলীয় কেউ জড়িত নেই।

এ প্রসঙ্গে গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতার মোর্শেদ বলেন, হামলায় নূরু অসুস্থ বোধ করলে আমরা তাকে গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর চিকিৎসক তাকে ছেড়ে দেন। উলানিয়ার পরিবেশ এখন শান্ত রয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা