kalerkantho

বুধবার । ২১ আগস্ট ২০১৯। ৬ ভাদ্র ১৪২৬। ১৯ জিলহজ ১৪৪০

পরকীয়া সম্পর্কের প্রতিবাদ করায় পিটিয়ে হত্যা!

গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

১৩ আগস্ট, ২০১৯ ১৯:৩৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পরকীয়া সম্পর্কের প্রতিবাদ করায় পিটিয়ে হত্যা!

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর সাথে পরকীয়া সম্পর্কের প্রতিবাদ করায় লাঠি দিয়ে পিটিয়ে রহিদুল্লাহ ওরফে রহিদ (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে আজ মঙ্গলবার সকালে উপজেলার পাগলা থানাধিন দোবাষিয়া গ্রামে। পাগলা থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পাগলা থানাধীন দোবাষিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল মোতালেবের ছেলে রহিদুল্লাহ ওরফে রহিদ এর প্রবাসী ছোট ভাই এখলাছ উদ্দিনের স্ত্রী মুক্তা বেগমের (২৭) সাথে একই গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে উছমান মিয়ার (৪০) পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। উছমান প্রায়ই মুক্তা বেগমের কাছে আসতেন। কিছুদিন পূর্বে মুক্তা বেগমের গর্ভে এক সন্তান জন্ম হয়। 'সন্তানটি প্রবাসী এখলাছ উদ্দিনের নাকি উছমান মিয়া'র- এ নিয়ে পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে সমালোচনার প্রেক্ষিতে বিচার সালিস হওয়ার কথা ছিল। এ অবস্থায় মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উছমান মিয়া আবারো মুক্তা বেগমের কাছে যান। বিষয়টি জানতে পেরে রহিদুল্লাহ ওরফে রহিদ ছোট ভাই এখলাছ উদ্দিনের বাড়িতে এসে উছমান মিয়াকে আসার কারণ জিজ্ঞাসা করে পরকীয়া সম্পর্কের প্রতিবাদ করেন। নিয়ে দুজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এ সময় ক্ষিপ্ত হয়ে উছমান মিয়া লাঠি দিয়ে রহিদুল্লাহকে পিটিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে পাগলা থানায় খবর দেন।

পাগলা থানার ওসি শাহিনুজ্জামান খান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন সাগর বলেন, পরকীয়া সম্পর্কের প্রতিবাদ করায় উছমান রহিদুল্লাহকে মাথায় আঘাত করলে সে ঘটনাস্থলে নিহত হয়।

পাগলা থানার ওসি শাহিনুজ্জামান খান বলেন, পারিবারিক কলহের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার ভিত্তিতে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা