kalerkantho

বুধবার । ২১ আগস্ট ২০১৯। ৬ ভাদ্র ১৪২৬। ১৯ জিলহজ ১৪৪০

গাইবান্ধায় ২৭৬০ হতদরিদ্র পরিবার পেল কোরবানির মাংস

গাইবান্ধা প্রতিনিধি   

১৩ আগস্ট, ২০১৯ ১৯:০৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গাইবান্ধায় ২৭৬০ হতদরিদ্র পরিবার পেল কোরবানির মাংস

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার হাট ভরতখালীতে বন্যাকবলিত সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার ২৭৬০টি দুস্থ পরিবারের মাঝে ২ কেজি করে কোরবানির মাংস বিতরণ হয়েছে। কোরবানির মাংস পেয়ে খুশি ওই সব মানুষ। বেসরকারি সংগঠন এসকেএস ফাউণ্ডেশনের উদ্যোগে এই মাংস বিতরণ করা হয়। 

গতকাল ঈদের নামাজ আদায় শেষে ৬৯টি পশু কোরবানি দেওয়া হয়। পরে তা টুকরো টুকরো করে ২ কেজি করে রাতভর প্যাকেট করা হয়। আজ সাঘাটা উপজেলার মুক্তিনগর ইউনিয়ন ৮২০, ভরতখালী ৪৫০ এবং সাঘাটা ইউনিয়নের ১০৫০টি ও ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের বন্যাকবলিত ৪৪০টি মোট ২৭৬০টি পরিবারের মাঝে এই মাংস বিতরণ করা হয়।  

প্রতিবছরের মতো এ বছরও ৬৯টি গরু কোরবানি দেওয়া হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে হতদরিদ্র, স্বামী পরিত্যক্তা, বিধবাদের তালিকা করা হয়। সেইসব তালিকাভুক্ত প্রতিটি পরিবারকে ২ কেজি করে মাংস দেয় সংগঠনটি।

আজ মঙ্গলবার হাট ভরতখালী নতূন কূড়ি নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে এ কোরবানি কর্মসূচির মাংস বিতরণ অনুষ্ঠানের পূর্ব আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন এসকেএস ফাউণ্ডেশনের নির্বাহী প্রধান রাসেল আহম্মেদ লিটন। প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাঘাটা উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবীর। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গোলাম মোতাসিন বিল্লাহ, সাঘাটা ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন সুইট, ভরতখালী ইউপি চেয়ারম্যান শামসুল আজাদ শীতল প্রমুখ।

এসকেএস ফাউণ্ডেশন এর নির্বাহী প্রধান রাসেল আহম্মেদ লিটন বলেন, বিগত দিনে বড় ধরনের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এই মানুষগুলোকে এটুকু সহায়তা করতে পেরে আমরা আনন্দিত এবং গর্বিত, এ জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, আমরা চাই সকলে একসাথে মিলে এই মানুষগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে তাদেরকে ক্ষতির হাত থেকে ফিরিয়ে সহনশীল করতে। 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা