kalerkantho

বুধবার । ২১ আগস্ট ২০১৯। ৬ ভাদ্র ১৪২৬। ১৯ জিলহজ ১৪৪০

ঈদের পরদিনও ঘরমুখো যাত্রীর ভিড়, কানায় কানায় পূর্ণ ফেরিগুলো

শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি   

১৩ আগস্ট, ২০১৯ ১৭:৪৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঈদের পরদিনও ঘরমুখো যাত্রীর ভিড়, কানায় কানায় পূর্ণ ফেরিগুলো

ঈদের পরদিনও শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌ-রুট হয়ে ঘরমুখো যাত্রীদের ভিড় রয়েছে। তবে বৈরী আবহাওয়ায় লঞ্চ, স্পিডবোট ও ডাম্ব ফেরিগুলো বন্ধ থাকায় যাত্রী দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।  চলমান ফেরিগুলো যাত্রীতে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে পারাপার হচ্ছে।

এদিকে নৌ-রুট হয়ে পদ্মায় ১৮ জন যাত্রী নিয়ে স্পিডবোট ডুবির ঘটনায় এখনো কয়েকজন যাত্রী নিখোঁজ রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে বিআইডাব্লিউটিএ'র দাবি করেছে রনি (৮) নামের এক শিশু নিখোঁজ রয়েছে, বাকি যাত্রীরা উদ্ধার হয়েছে। তবে মাঝ পদ্মা নদী ঘুরে কোনো সংস্থার কোনো উদ্ধার তৎপরতা চোখে পড়েনি। বন্ধ রয়েছে লঞ্চ, স্পিডবোট ও ৬টি ডাম্ব ফেরি।  

বিআইডাব্লিউটিএ কাঁঠালবাড়ী ঘাট সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সকাল থেকেই বৈরী আবহাওয়ার কারণে শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ী নৌ-রুটের পদ্মা নদী উত্তাল হয়ে ওঠে। সকাল সাড়ে ৮টার দিক শিমুলিয়া ঘাট থেকে ১৮ জন যাত্রী নিয়ে স্বপন সরদারের মালিকানাধীন চালক জালাল স্পিডবোট কাঁঠালবাড়ী ঘাটের উদ্দেশে ছেড়ে আসে। মাঝ পদ্মায় আসলে ঢেউয়ের ধাক্কায় স্পিডবোটটি উল্টে যায়। ঘাট থেকে অন্য স্পিডবোট গিয়ে কয়েকজন যাত্রীকে উদ্ধার করে। কয়েকজন যাত্রী নিখোঁজ রয়েছে বলে স্থানীয় একাধিক সুত্র জানায়। তবে বিআইডাব্লিউটিসি ঘাটের সূত্র জানিয়েছে একজন নিখোঁজ রয়েছে এ ঘটনায়। নিখোজ রয়েছে রনি (৮) নামের এক যাত্রী। এ ঘটনার পর থেকেই এ-রুটের সকল স্পিডবোট, লঞ্চ বন্ধ করে দেওয়া হয়। দুপুরে বন্ধ হয়ে যায় এ-রুটের ডাম্ব ফেরিগুলো। 

বিআইডাব্লিউটিএ কাঁঠালবাড়ী ঘাটের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আক্তার হোসেন বলেন, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে শিমুলিয়া থেকে আসা স্পিডবোটটি মাঝ পদ্মায় ডুবে যায়। অন্যান্য যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়েছে। তবে একজন যাত্রী নিখোঁজ রয়েছে বলে জানতে পেরেছি। বৈরী আবহাওয়ার জন্য সকাল পৌনে ৯টা থেকে লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ রয়েছে। মধ্যে ১ ঘণ্টার জন্য লঞ্চ চালু হলেও আবারো তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। 

ঘাট এলাকায় কর্তব্যরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আল নোমান বলেন, বিআইডাব্লিউটিএ উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে। আমরা পদ্মা নদীর ওই এলাকা পরিদর্শন করেছি। নদীতে উত্তাল ঢেউ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা