kalerkantho

শনিবার । ২৪ আগস্ট ২০১৯। ৯ ভাদ্র ১৪২৬। ২২ জিলহজ ১৪৪০

মানিকগঞ্জে কৃষি মন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন

দেশে বন্যা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য ১২০ কোটি টাকা রাখা হয়েছে

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি   

২৪ জুলাই, ২০১৯ ০২:৪০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দেশে বন্যা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য ১২০ কোটি টাকা রাখা হয়েছে

ছবি: কালের কণ্ঠ

কৃষি মন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, আমাদের দেশে প্রতিবছর কোনো না কোনো অঞ্চলে বন্যা হয়। এবার বন্যার পানি বিপদসীমার অনেক ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় জমির ফসল। তবে বর্তমানে ফসলের খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় নাই। তবে রবিশস্য যেমন শাকসবজির ক্ষতি হয়েছে। বন্যাপরবর্তী সময়ে কৃষকদের বিনামূল্যে বীজ, সার দেওয়া হবে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য বন্যাপরবর্তী সময়ে পুনর্বাসনের জন্য একশত বিশ কোটি টাকা রাখা  বরাদ্দ হয়েছে। আবার যদি পুনরায় বন্যা হয় তার জন্যও সরকারের প্রস্তুতি রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার চরাঞ্চল বাঁচামারা, শিবালয় উপজেলার অন্বয়পুর ও হরিরামপুর উপজেলার বাহাদুরপুর এলাকায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ত্রাণ কমিটির পক্ষ থেকে বন্যা কবলিতদের ত্রাণ সহায়তা প্রদানকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

ত্রাণ বিতরণকালে আরো উপস্থিত ছিলেন, সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য মীর্জা আজম, আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, স্থানীয় সংসদ সদস্য এ এম নাঈমুর রহমান দুর্জয়, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, শিক্ষা ও মানব সম্পাদক শামসুন নাহার চাপা, মাকিগঞ্জ জেলা আ. লীগের সভাপতি গোলাম মহীদ্দীনসহ স্থানীয় নেতা-কর্মী। এ সময় আওয়ামী লীগের ত্রাণ কমিটির পক্ষ থেকে জেলার তিনটি উপজেলায় বন্যাকবলিত মানুষদের মাঝে ৩০ কেজি করে চাল, ডাল, চিড়া, আলু, লবণ, তেল বিতরণ করেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, বিএনপি নেতাদের বন্যা নিয়ে কোন মাথা ব্যথ্যা নেই। বিএনপি নেতা রিজভী শুধুমাত্র দলীয় অফিসের বসে প্রেসরিলিজ দেন আর সাংবাদিকরা তা মিডিয়াতে তুলে ধরেন। এছাড়া বিএনপি নেতাদের কোনো কাজ নেই। ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে ছিল। ওই সময় উত্তরাঞ্চলে মঙ্গা ও বন্যার সময় শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সারা দেশে দুর্গতদের পাশে ত্রাণ সহায়তা নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন। কিন্তু গত ১১ বছরে বিএনপির কোনো নেতাকর্মী দুর্গতদের পাশে দাঁড়ায়নি। এরকম কোনো উদাহরণ তারা দিতে পারবে না।

আর আমাদের প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন যে বন্যায় কোনো মানুষ যেন এক বেলাও না খেয়ে না থাকে। আমাদের পর্যাপ্ত চাল মজুদ রয়েছে। বন্যাপরবর্তী সময়ে নদীভাঙন কবলিত এলাকায় নদী শাসনের জন্য স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হবে। পরে মন্ত্রী বিকালে জেলার শিবালয় উপজেলার অন্বপুর ও হরিরামপুরের বানভাসিদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা