kalerkantho

রবিবার। ১৮ আগস্ট ২০১৯। ৩ ভাদ্র ১৪২৬। ১৬ জিলহজ ১৪৪০

শাহপরীর দ্বীপ সড়ক

৭ বছর ধরে বিচ্ছিন্ন ৫ কিমি পথ

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি   

২৩ জুলাই, ২০১৯ ০২:৫১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৭ বছর ধরে বিচ্ছিন্ন ৫ কিমি পথ

সড়কপথে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা সদর থেকে দক্ষিণের সব শেষ জনপদ শাহপরীর দ্বীপের দূরত্ব ১৩ কিলোমিটার। ২০১২ সালে বঙ্গোপসাগরের জোয়ারের হানায় দ্বীপের পশ্চিমের বেড়িবাঁধটি বিলীন হয়ে যায়। সে সময় জোয়ারের পানি ঢুকে হারিয়াখালী থেকে শাহপরীর দ্বীপ উত্তরপাড়া পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার সড়ক বিলীন হয়ে যায়। এরপর কেটে গেছে সাত বছর। তবু ভোগান্তির শেষ হয়নি। দ্বীপবাসীকে এখনো নৌকায় করে পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে।

দ্বীপের বাসিন্দারা জানান, উপজেলা সদরে তাঁদের যাতায়তের একমাত্র পথ টেকনাফ-শাহ পরীর দ্বীপ সড়ক। কিন্তু এ সড়কের পাঁচ কিলোমিটার অংশ দীর্ঘদিন ধরে বিচ্ছিন্ন থাকায় যাতায়াত করতে নানা ধরনের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। অনেক সময় ভাটার টানে খালে পানি শুকিয়ে গেলে দীর্ঘপথ হেঁটে পাড়ি দিতে হয়।

দ্বীপের বাসিন্দা শিক্ষক জাহেদ হোসেন বলেন, সড়ক বিচ্ছিন্ন থাকায় সারা বছর কষ্টে থাকতে হয় দ্বীপের বাসিন্দাদের। বর্ষাকাল এলে ভোগান্তি আরো বেড়ে যায়। বিলীন হয়ে যাওয়া বেড়িবাঁধের কাজ শেষ হলে সড়কের কাজ শুরু হওয়ার কথা ছিল। এখন বেড়িবাঁধের কাজ শেষের দিকে, এর পরও সড়কের সংস্কারকাজ শুরু হয়নি।

শাহপরীর দ্বীপের সাবেক ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান বলেন, একসময় জোয়ারের পানি ঢোকার কারণে সড়ক সংস্কারকাজ শুরু করা যায়নি। আমরা শুনেছি, সড়ক সংস্কারের জন্য একটি প্রকল্প একনেকে অনুমোদন পেয়েছে। 

কক্সবাজার সড়ক ও জনপথের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা বলেন, টেকনাফ-সাবরাং হারিয়াখালী থেকে শাহপরীর দ্বীপ পর্যন্ত ৫.১৫ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের জন্য একটি প্রকল্প একনেকে অনুমোদন হয়েছে। প্রকল্পটির দরপত্র একদফা বাতিল হয়েছে, দ্বিতীয় দফায় একটি প্রতিষ্ঠান দরপত্র জমা দিয়েছেন। তবে তারা যাতায়াত খরচের জন্য ৯ শতাংশ অর্থ বরাদ্দের কথা বলেছে। দরপত্রটি সুপারিশ কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে। সুপারিশ কমিটি অনুমোদন দিলে কাজটি দ্রুত শুরু করা সম্ভব হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা