kalerkantho

মঙ্গলবার। ২০ আগস্ট ২০১৯। ৫ ভাদ্র ১৪২৬। ১৮ জিলহজ ১৪৪০

‘চট্টগ্রামের দুঃখ’ চাক্তাই খালের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

২৩ জুলাই, ২০১৯ ০২:৩২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘চট্টগ্রামের  দুঃখ’ চাক্তাই খালের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু

‘চট্টগ্রাম নগরের দুঃখ’ বলা হয়ে থাকে চাক্তাই খালকে। এখানকার দুঃসহ জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রায় পাঁচ হাজার ৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে মেগা প্রকল্পের কাজ শুরুর পর প্রথমবারের মতো খালের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু হয়েছে। গতকাল সোমবার সকাল থেকে শুরু হয়ে বিকেল পর্যন্ত এই উচ্ছেদ অভিযানে প্রায় ৬৫টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। 

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সাইফুল আলম চৌধুরী এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় সেনাবাহিনী, পুলিশসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম শহরে জলাবদ্ধতা নিরসনে এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। 

সিডিএ নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক আহমেদ মাঈনুদ্দিন গতকাল সন্ধ্যায় কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘চাক্তাই খালে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। নগরের বহদ্দারহাট থেকে খলিফাপট্টি পর্যন্ত তিন কিলোমিটার এলাকার প্রায় ৬৫টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয় এ সময়।’

তিনি জানান, গতকাল উচ্ছেদ করা অবৈধ স্থাপনার মধ্যে তিনতলাবিশিষ্ট তিনটি, দুই তলাবিশিষ্ট চারটি এবং অনেক টিনশেড স্থাপনা ছিল। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় লোকজন উচ্ছেদ কার্যক্রমে সহায়তা করছে। 

সিডিএ সহকারী প্রকৌশলী হামিদুল হক বলেন, ‘প্রায় ছয় কিলোমিটার দৈর্ঘ্যর এই খাল ও বহদ্দারহাট থেকে ডানপাশের দখল (পথ) উচ্ছেদ শুরু হয়েছে। এই খাল ও এর পারে ১৩২টি অবৈধ স্থাপনা রয়েছে। এর মধ্যে আজকে (গতকাল) প্রায় ৬৫টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এখন দেখছি অবৈধ স্থাপনার মালিকরা নিজেরাই নিজেদের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করছে।’ 

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে চাক্তাই খালে ও এর দুই পারের বিভিন্ন অংশে অবৈধ স্থাপনার কারণে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ কারণে অল্প বৃষ্টিতে নগরের অনেক এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সংস্থা উচ্ছেদের উদ্যোগ নিলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা