kalerkantho

বুধবার । ২১ আগস্ট ২০১৯। ৬ ভাদ্র ১৪২৬। ১৯ জিলহজ ১৪৪০

৩৮ ঘণ্টার মধ্যেই আঁখি হত্যাকারী র‍্যাবের জালে

অনলাইন ডেস্ক   

২২ জুলাই, ২০১৯ ১৭:৫৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৩৮ ঘণ্টার মধ্যেই আঁখি হত্যাকারী র‍্যাবের জালে

মো. সুমন (৩২) পেশায় একজন ফল ব্যবসায়ী। তার পিতার নাম মো. মানিক সিপাহী। পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া থানার নকবুল্লা সিপাহীবাড়ী তার ঠিকানা। সদরঘাট ১ নম্বর গেইট এর সামনে ৭-৮ বছর যাবৎ ফলের ব্যবসা করে আসছে সে। বিবাহিত এবং এক পুত্রসন্তান আছে তার। এদিকে দীর্ঘদিন ধরে আঁখি ওরফে মোসা. শারমিন নামে এক গার্মেন্টকর্মীর সাথে মোবাইলে কথা বলে আসছিল। শারমিনও বিবাহিত, তার একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। তার বাড়ি বরিশালের বাকেরগঞ্জ এর বড় পুইয়াউটা। বাবার নাম মো. বজলু বেপারী। কথা বলার একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

পূর্ব কথোপকথন অনুযায়ী গত ১৯ জুলাই সুমন সন্ধ্যা ৭টায় ঢাকা সদরঘাট লঞ্চঘাটে আসে এবং সুরভী ৮ লঞ্চে স্টাফ কেবিনে টিকিট কাটে। তার সঙ্গে আঁখিও একই কেবিনে ওঠে। আনুমানিক রাত ১১টার দিকে সে আঁখিকে কুপ্রস্তাব দেয় এবং আঁখি তার বিবাহবহির্ভূত কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সে তার সাথে ধস্তাধস্তি করতে থাকে এবং তাকে গলাটিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। হত্যা নিশ্চিত হওয়ার পর সুমন সারারাত কেবিনে অবস্থান করে এবং লঞ্চঘাটে পৌঁছালে সুকৌশালে পালিয়ে যায়।

উল্লেখ্য, সম্পর্ক স্থাপনের পূর্বে দুজনেই তাদের বিবাহসম্পর্কিত তথ্যাদি পরস্পরের নিকট গোপন করে।

পরদিন ২০ জুলাই সুরভী লঞ্চের কেবিন থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার মর্মে বিভিন্ন গণমাধ্যম সংবাদ প্রকাশ করে। এবং ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। র‌্যাডিপ অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন ৮ উক্ত হত্যা সম্পর্কে ব্যাপক গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে। এবং ৩৮ ঘণ্টার মধ্যেই হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি মো. সুমনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। 

বিষয়টি নিশ্চিত করে র‍্যাব ৮ এর উপ-অধিনায়ক মেজর খান সজিবুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, র‌্যাবের আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া থানা এলাকা থেকে গতকাল রাত সাড়ে ১০টায় আসামি মো. সুমনকে গ্রেপ্তার করে। রাতভর তাকে ব্যাপক জিঞ্জাসাবাদ করার পরে সে হত্যায় নিজের সম্পৃক্ততা স্বীকার করে।  

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা