kalerkantho

বুধবার । ২১ আগস্ট ২০১৯। ৬ ভাদ্র ১৪২৬। ১৯ জিলহজ ১৪৪০

মেহেরপুর সরকারি কলেজে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৫

মেহেরপুর প্রতিনিধি   

২২ জুলাই, ২০১৯ ১৭:৩৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মেহেরপুর সরকারি কলেজে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৫

মেহেরপুর সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ বিবাদের জের ধরে রুবেল গ্রুপের হামলায় জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক সুমাইয়া আক্তারসহ পাঁচ জন আহত হয়। আজ সোমবার দুপুরের দিকে এ ঘটনা ঘটে।

অপর আহতরা হলেন জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অপরাজিতা অধিকারী, দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র সাফিউল্লাহ, একাদশ শ্রেণির ছাত্র মোকিম উদ্দিন এবং মাসুদ রানা। আহতরা মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

সাধারণ শিক্ষার্থীরা জানান, কয়েকদিন ধরে কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি কুদরত ই খুদা রুবেল ও জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক সুমাইয়া আক্তার গ্রুপের সাথে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। সেই দ্বন্দ্বের জের ধরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক সুমাইয়া আক্তার জানান, কলেজের ছাত্র না হয়েও কুদরত ই খুদা রুবেল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতির পদ ধরে রেখেছেন। ক্ষমতা ব্যবহার করার জন্য তিনি বিভিন্ন সময় কলেজের ছাত্রছাত্রীদের ভয়ভীতি দেখান। কয়েকদিন আগে রুবেল গ্রুপের কয়েকটি ছেলে আমাদের সাথে খারাপ আচরণ করে। আমিসহ জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পরাজিতা অধিকারীকে কটু কথা বলে। তার প্রতিবাদ করলে তখন বাকবিতন্ডা হয়। পরে আমাদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। আজ কলেজে আসলে পুনরায় তারা আমাদের সাথে খারাপ আচরণ করে। তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে রুবেল ও কলেজ শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক শোভনের নেতৃত্বে কয়েকজন আমাদের উপর হামলা চালায়। এতে সাফিউল্লাহসহ তিন জন আহত হয়।

এদিকে সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি কুদরত ই খোদা রুবেল জানান, কয়েকদিন পূর্বে জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক সুমাইয়া একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রকে ডাকাডাকি করে। সে সময় ওই ছাত্র তার ডাকে সাড়া না দিলে তাকে শারীরিভভাবে লঞ্চিত করার পাল্টা অভিযোগ তোলেন।

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুস সালাম বাঁধন জানান, জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক একটি অভিযোগ করেছেন। আমরা অভিযুক্ত কলেজ শাখার সভাপতি কুদরত ই খুদা রুবেল ও সাংগঠনিক সম্পাদক শোভনের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করব। ইতিমধ্যে আমরা কেন্দ্রীয় কমিটি বিষয়টি জানিয়েছি। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা