kalerkantho

রবিবার। ১৮ আগস্ট ২০১৯। ৩ ভাদ্র ১৪২৬। ১৬ জিলহজ ১৪৪০

যে নিষ্ঠুরতা ক্ষমার অযোগ্য!

মাগুরা প্রতিনিধি   

২২ জুলাই, ২০১৯ ১৪:২৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



যে নিষ্ঠুরতা ক্ষমার অযোগ্য!

মাগুরা শহরের পারনান্দুয়ালী এলাকায় স্ত্রী ও ১০ মাসের শিশুপুত্রকে জবাই করে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে বিট্টু মজুমদার নামে এক ব্যক্তি। পুলিশের ধারণা, পারিবারিক কলহের জের ধরে গতরাত থেকে আজ সোমবার সকাল ৯টার মধ্যে বিট্টু এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। বিট্টুর নিহত স্ত্রীর নাম পূর্ণ মজুমদার (২৫)। শিশুপুত্রের নাম মানব মজুমদার। 

আজ সোমবার সকাল ১০টার দিকে এলাকাবাসীর খবরের ভিত্তিতে সদর থানা পুলিশ পারনান্দুয়ালীর একটি টিনশেড ঘর থেকে হতাহতদের উদ্ধার করে। এই বাড়িতেই তারা ভাড়া থাকত। 

মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম জানান, ৩ বছর আগে মাগুরা পারনান্দুয়ালী মিস্ত্রিপাড়ার নির্মল মজুমদারের ছেলে বিট্টু মজুমদার প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে চুয়াডাঙ্গার সদরের ভাড়ম পাড়ার কালাম শেখের মেয়ে পূর্ণকে বিয়ে করে। বিট্টুর পরিবারের পক্ষ থেকে এ বিয়ে মেনে না নেওয়ায় সে মাগুরা শহরের বিভিন্ন জায়গায় ভাড়াবাড়িতে থাকত। সর্বশেষ পারনান্দুয়ালীর হাজী আব্দুর রশিদের একটি টিনশেড ঘরে ভাড়া থাকত। পেশায় বিট্টু একজন থাই মিস্ত্রি। সব সময় কাজ না থাকায় প্রায় সে বেকার থাকত। যে কারণে দারিদ্র সংসারে দাম্পত্য কলহ হতো প্রায়ই। তাদের পুত্রসন্তানের বয়স ১০ মাস। 

অন্যদিকে ধর্মীয় কারণে বিট্টুর পরিবার তাদের বিয়ে মেনে না নেওয়ায় পারিবারিকভাবে তারা অনেকটা বিচ্ছিন্ন ছিল। এরই মধ্যে বিট্টু স্ত্রীর সাথে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটানোর জন্যে বেশ কয়েকবার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। এরই একপর্যায়ে সে এ ঘটনা ঘটায়। পুলিশ নিহতদের লাশ মর্গে পাঠিয়েছে। বিট্টুকে মাগুরা সদর হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে অস্ত্রোপচার চলছে। 

যে ধারালো বটি দিয়ে বিট্টু এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে সেটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। বিট্টুর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার ১০ মাসের শিশু পুত্রের মস্তক দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা