kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২২ আগস্ট ২০১৯। ৭ ভাদ্র ১৪২৬। ২০ জিলহজ ১৪৪০

দুর্বৃত্তের আগুনে পুড়ল নদী খননের এক্সকাভেটর

দিনাজপুর প্রতিনিধি   

২২ জুলাই, ২০১৯ ১২:০৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দুর্বৃত্তের আগুনে পুড়ল নদী খননের এক্সকাভেটর

দিনাজপুরের নবাগঞ্জের মাইলা নদী ও হাকিমপুরের তুলশি গঙ্গাঁ নদী খনন কাজে ব্যবহৃত প্রায় দুই কোটি টাকা মূল্যের দুটি এক্সকাভেটর দুর্বৃত্তরা পুড়িয়ে দেওয়ায় নদী দুটি খননকাজ হুমকির মুখে পড়েছে। অপরদিকে এক্সকাভেটর পুড়িয়ে দেওয়ার পর থেকে মেশিনের মালিকরা নিরাপত্তার অভাবে এক্সকাভেটরগুলো সরিয়ে নিয়ে গেছে। অন্যদিকে অভিযোগ করার ৬ দিন অতিবাহিত হলেও এখনও মামলা রেকর্ড করেনি হাকিমপুর থানা পুলিশ।

জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ডেলটা প্লান ২১০০ প্রকল্পের অধীনে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট থেকে নবাগঞ্জ পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার নদী ৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকা ব্যয়ে খননের কাজ শুরু হয় গত ৩০ মে। সেখানে কাজ শুরুর ৩৩ দিনের মাথায় গত ৩ জুলাই একদল দুর্বৃত্ত মধ্যরাতে নবাগঞ্জ উপজেলার মোগরপাড়া বার্নি নামক স্থানে একটি এক্সকাভেটর পুড়িয়ে দেয়। 

অপরদিকে গত ১৮ জুন হাকিমপুর উপজেলার তুলসিগঙ্গাঁ নদী খননের কাজ শুরু হয়। ২ কোটি ৩৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নদী খনন কাজ চলাকালে গত ১৪ জুলাই রাঙ্গামাটি জিরো পয়েন্টের সামনে রাত ১২টার দিকে আগুন আরেকটি এক্সকাভেটর আগুন লাগিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। এতে করে মেশিন নিয়ে মালিক ও ঠিকাদারের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে। পরপর দুটি এক্সকাভেটর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা সাধারণ মানুষকে হতবম্ব করে দিয়েছে। তারা কারণ খুঁজে পাচ্ছে না। ডেলটা প্ল্যান ২১০০ প্রকল্পের অধীনে চলমান নদী খনন কাজের এক্সকাভেটর কারা কি উদ্দ্যেশ্যে পুড়িয়ে দিচ্ছে তা তারা বুঝতে পারছে না।

ঠিকাদারের প্রতিনিধি সঞ্চয় জানান, একেকটি এক্সকাভেটরের দাম প্রায় ৯০ লাখ টাকা। পরপর দুটি মেশিন পুড়িয়ে দেওয়ায় আমরা চরম ক্ষতির শিকার হয়েছি। মামলা দেওয়ার পরও থানা মামলা রেকর্ড করছে না। এতে করে আমরা এক্সকাভেটরগুলো নদী খনন কাজে নিয়ে যাওয়ার সহস করছি না। আমরা বিষয়গুলো দিনাজপুর পানি উন্নয়র বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীকে জানিয়েছি। অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।

দিনাজপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফয়জুর রহমান জানান, ঠিকাদার আমাকে মৌখিকভাবে জানিয়েছেন। আমি প্রশাসনের নজরে বিষয়টি নিয়ে এসেছি। লিখিত পেলেই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এক্সকাভেটর পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় দেওয়া অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ পাওয়ার বিষয় নিশ্চিত করে জানান, এখনও মামলা রেকর্ড হয়নি। অভিযোগ তদন্তে একজন এসআইকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত চলছে। রিপোর্ট পেলেই মামলা রেকর্ড করা হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা