kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২২ আগস্ট ২০১৯। ৭ ভাদ্র ১৪২৬। ২০ জিলহজ ১৪৪০

'প্রথম শ্রেণির পৌরসভার গাড়ি উঁই পোকায় খায়'

চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি   

২২ জুলাই, ২০১৯ ১১:১৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'প্রথম শ্রেণির পৌরসভার গাড়ি উঁই পোকায় খায়'

চাটমোহর পৌরসভার প্রায় সকল রাস্তা-ঘাট চলাচলের একেবারেই অনুপযোগী। হাঁটা-চলা-ফেরাতেও নেই কোনো নিরাপত্তা। সড়কবাতি ঠিকমতো জ্বলে না। সুযোগ-সুবিধার নেই কোনো বালাই। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাগুলো সংস্কার ও অপরিকল্পিতভাবে ড্রেন তৈরি ও সেগুলো পরিষ্কার না করানোর ফলে পৌর নাগরিকরা ন্যূনতম সেবা থেকে বঞ্চিত থাকছেন। শহরের যত্রতত্র পড়ে থাকে ময়লা-আবর্জনা। তবে প্রথম শ্রেণির পৌরসভাটি কাগজে-কলমে থাকলেও সেবার দিক থেকে সাধারণ মানুষের অভিযোগের অন্ত নেই। 

সম্প্রতি চাটমোহর পৌরসভায় গিয়ে দেখা যায়, রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ভাতার দাবিতে গত এক সপ্তাহ যাবৎ সকল প্রকার সেবা বন্ধ করে সবাই ঢাকায় আন্দোলনে গিয়েছেন। পৌরসভায় এসে সেবা না পেয়ে মানুষ ক্ষুদ্ধ নানা ধরনের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে পৌরসভা ত্যাগ করছেন। বাইরের এক পাশে জঙ্গলের মধ্যে পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে পৌর কাজে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান। দীর্ঘদিন যাবৎ রোদ-বৃষ্টিতে গাড়িটি সেখানে পড়ে থেকে ক্রমশ মাটির সাথে মিশে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তবুও কারো কোনো ভ্রুক্ষেপ। পৌরসভার প্রধান ফটকে ঢুকতেই চোখ পড়ে যায় ওই গাড়িটির দিকে। সেবাপ্রত্যাশী অনেকেই গাড়িটির দিকে তাকিয়ে বলেন, 'প্রথম শ্রেণির পৌরসভার গাড়ি উঁই পোকায় খায়'।

গাড়িটির বিষয়ে চাটমোহর পৌরসভার মেয়র মির্জা রেজাউল করিম দুলাল বলেন, পৌরসভার প্রথম অবস্থা থেকেই একটি রোলার ও এই গাড়িটি ছিল। আমার আগের মেয়রগণ এই গাড়ি দুটির কোনো রক্ষণাবেক্ষণ না করে উন্মুক্ত পরিবেশে ফেলে রেখে নষ্ট করে গেছেন। এখন তা একেবারেই নষ্ট হয়ে গেছে। এটা এখন মেরামত করতে গেলে যে টাকা খরচ হবে সে টাকা দিয়ে প্রায় নতুন একটা গাড়িই হয়ে যাবে। তা ছাড়া বর্তমানে পৌরসভায় মোট ৪টি গাড়ি রয়েছে। ভেবেছি পুরাতন গাড়িটি মিনিস্ট্রি থেকে পারমিশন নিয়ে ওয়াকশনে দিয়ে দেব। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা