kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২২ আগস্ট ২০১৯। ৭ ভাদ্র ১৪২৬। ২০ জিলহজ ১৪৪০

সাভারে স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার (ঢাকা)   

২১ জুলাই, ২০১৯ ২৩:১৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সাভারে স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা

ঢাকার অদূরে সাভারের হেমায়েতপুরে কোচিং থেকে বাসায় ফেরার পথে এক স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় তার চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে ছাত্রীটিকে উদ্ধার করে পাশের একটি ক্লিনিকে ভর্তি করে। রবিবার বিকেল ৫টার দিকে হেমায়েতপুর জয়নাবাড়ী বেপাড়িপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ওই ছাত্রী এখন শঙ্কা মুক্ত বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. জামাল উদ্দিন।

আহত ওই স্কুলছাত্রীর নাম ঝুমুর বেগম (১৫)। সে সাভারের হেমায়েতপুর জয়নাবাড়ী এলাকার নূর হোসেনের মেয়ে এবং স্থানীয় জয়নাবাড়ী প্রিক্যাডেট স্কুলে দশম শ্রেণির বাণিজ্য শাখার ছাত্রী।

ঝুমুরের মা শাহানাজ আক্তার বলেন, বেলা দেড়টার দিকে ঝুমুর স্কুল থেকে বাসায় ফেরার পথে দুইজন বোরকা পরিহিত লোক তার নাম এবং বাড়ির কথা জানতে চায়। এ সময় ঝুমুর তাদের কথার উত্তর না দিয়ে দ্রুত বাসায় চলে আসে। বিষয়টি তাঁকে বলায় এবং সে ছেলেধরা বলে ভয় পাওয়ায় বিকেল ৩টার দিকে তিনি নিজেই মেয়েকে কোচিংয়ে নিয়ে যান।

এরপর বিকেল ৫টার দিকে সে বাসায় ফেরার পথে বেপারীপাড়া তিন রাস্তার মোড়ে আসলে আবারও বোরকা পরিহিত লোক দুটি তার পিছু নেয়। এক পর্যায়ে ঝুমুর একটা গলির ভেতরে ঢুকে পড়লে লোক দুইজন তার মুখ চেপে ধরে পেছন থেকে গলায় ছুরি চালায়। এ সময় ঝুমুর চিৎকার করলে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে লোক দুইজন দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

খবর পেয়ে হাসপাতালে মেয়েটিকে দেখতে আসেন স্থানীয় তেতুঁলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফখরুল আলম সময়। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘ছেলেধরার বিষয়টি আসলে একটা গুজব। মানুষের মনে আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য একটি মহল এই ছেলেধরার অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে।’
হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. জামাল উদ্দিন বলেন, মেয়েটির গলায় ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। হাসপাতালে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে মেয়েটি সুস্থ আছে।

সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ এফ এম সায়েদ বলেন, কে বা কারা এক স্কুল ছাত্রীকে ছুরিকাঘাত করেছে তা জানা যায়নি। কিন্তু স্থানীয়রা ছেলেধরা গুজব বলে মানুষকে আতঙ্কগ্রস্ত করে তুলছে। তবে এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হলে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা