kalerkantho

মঙ্গলবার। ২০ আগস্ট ২০১৯। ৫ ভাদ্র ১৪২৬। ১৮ জিলহজ ১৪৪০

পদ্মা নদী থেকে নারী ও কিশোরের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি   

২১ জুলাই, ২০১৯ ১৬:৪৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পদ্মা নদী থেকে নারী ও কিশোরের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

একই দিনে পদ্মা নদীর পৃথক দুই এলাকা থেকে মধ্য বয়সী এক নারী ও এক কিশোরের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রবিবার দুপুরে পদ্মা নদীর পাবনা ঈশ্বরদীর লক্ষ্মীকুণ্ডা ইউনিয়নের বিলকেদা-দাদাপুর কোল থেকে (১০) বছরের এক কিশোরের মুখে ও মাথায় কসটেপ জড়ানো অর্ধগলিত উলঙ্গ লাশ ও সাঁড়া ইউনিয়নের মাঝদিয়া ঘোষপাড়ার নিচে পদ্মা নদীর কোলের কাশবন থেকে মস্তক বিহীন আনুমানিক (৩০) বছরের এক মহিলার অর্ধ গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। 

লক্ষ্মীকুণ্ডার বিলকেদা ও দাদাপুরের স্থায়ী বাসিন্দা জাহিদুল ইসলাম ও পল্লী পশু চিকিৎসক মিরাজ উদ্দিন জানান, শনিবার বিকেলে পদ্মা নদীর স্রোতে একটি লাশ ভেসে আসে। বিলকেদা ঘাটে আটকে থাকে। আজ রবিবার দুপুরে খবর পেয়ে থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। তারা আরও জানান, কিশোরটির লাশে পচন ধরে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল। কিশোরের সমস্ত মুখ ও মাথায় কসটেপ জড়ানো ছিল।

সাঁড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নং ওয়ার্ড মেম্বার সাইফুদ্দিন খান জানান, মাঝদিয়া ঘোষপাড়ার নিচে পদ্মা নদীর কাশবনে আটকে যায়। এলাকাবাসী দুর্গন্ধ পেয়ে নিচে নেমে লাশটি দেখতে পায়। এলাকাবাসীর নিকট থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মস্তক বিহীন নারীর লাশটি দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, একই দিনে ঈশ্বরদীতে পদ্মা নদীর পৃথক দুই স্থান থেকে নারী ও কিশোরের অর্ধগলিত দুর্গন্ধ যুক্ত লাশ উদ্ধার করায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। ধারণা করা হচ্ছে কিশোরকে পরিকল্পিতভাবে মুখে ও মাথায় সাদা কসটেপ জড়িয়ে এবং নারীটিকে ধর্ষণপূর্বক হত্যা করে লাশ গুম করতে পদ্মা নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে। 

আজ বিকেলে ঈশ্বরদী থানার উপ পরিদর্শক শাহিনুর রহমান জানান, লাশটি অর্ধগলিত। লাশটি উদ্ধারের জন্য ডোমের খোঁজ করা হচ্ছে। ডোম এলেই লাশটি উদ্ধার করা যাবে। তবে লাশটি ছেলের না মহিলার তা সঠিকভাবে বোঝা যাচ্ছে না।

ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বাহাউদ্দিন ফারুকী জানান, পরিকল্পিত হত্যা নয়, ধারণা করা হচ্ছে লাশ দুটি বর্ষা মৌসুমে জোয়ার ভাটায় নদীতে ভেসে এসেছে। একটি লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। অপরটি উদ্ধার প্রচেষ্টা চলছে। লাশের ময়নাতদন্ত শেষে ওয়ারিশ না পাওয়া গেলে বেওয়ারিশ হিসেবে আঞ্জুমান মফিদুলের মাধ্যমে দাফন করা হবে বলে জানান ওসি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা