kalerkantho

সোমবার। ১৯ আগস্ট ২০১৯। ৪ ভাদ্র ১৪২৬। ১৭ জিলহজ ১৪৪০

স্কুলছাত্রী স্মৃতি গণধর্ষণ ও হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি   

২১ জুলাই, ২০১৯ ১৫:৫৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্কুলছাত্রী স্মৃতি গণধর্ষণ ও হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জে পাকুন্দিয়ায় স্কুলছাত্রী স্মৃতি আক্তার রিমা গণধর্ষণ ও হত্যা মামলার অন্যতম আসামি পিয়াস মিয়াকে (১৮) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যকশন ব্যাটালিয়ন ১৪, ক্রাই্ম প্রিভেনশন কম্পানি ২, কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের সদস্যরা। শনিবার দিবাগত রাত ২টায় তাকে চট্টগ্রামের পশ্চিম মাদারবাড়ি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পিয়াস পাকুন্দিয়া উপজেলার চরফরাদি গ্রামের রুবেল মিয়ার ছেলে। 

আজ রবিবার কিশোরগঞ্জ র‌্যাব ক্যাম্পে বেলা ১২টায় আসামি পিয়াসকে গণমাধ্যমের সামনে হাজির করা হয়। এ সময় র‌্যাব ১৪, সিপিসি ২, কিশোরগঞ্জ ক্যাম্প কমান্ডার লে. কমান্ডার এম শোভন খান জানান, গণধর্ষণের মূল পরিকল্পনাকারী ছিল পিয়াস। তার পরিকল্পনায় মেয়েটির কথিত প্রেমিক একই গ্রামের খুরশিদ উদ্দিনের ছেলে জাহিদ এবং আরো দুজন মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। তাদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তিনি আরো বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে পিয়াস ধর্ষণে নিজে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করা ছাড়াও, আর কারা এ ঘটনায় জড়িত তাদের নাম জানিয়েছে। তার ভাষ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাকে পাকুন্দিয়া থানায় হস্তান্তর করা হবে। 

এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে নিহত রিমার (১৪) মা আঙ্গুরা খাতুন বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে পাকুন্দিয়া থানায় মামলাটি করেছেন। মামলায় চরফরাদি গ্রামের খুরশিদ মিয়ার ছেলে জাহিদ মিয়া, রুবেল মিয়ার ছেলে পিয়াস মিয়া, ফারুক মিয়ার ছেলে রুমান মিয়া ও কফুল উদ্দিনের ছেলে রাজু মিয়ার নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো পাঁচ-ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে। 

মামলায় বলা হয়, গত মঙ্গলবার পাকুন্দিয়া উপজেলার গাংধোয়ারচর গ্রামের নানা বাড়িতে বেড়াতে যায় সে। পাশের চরফরাদী গ্রমের খুরশিদ উদ্দিনের ছেলে জাহিদের সঙ্গে প্রেম ছিল তার। বুধবার রাতে রিমাকে কৌশলে জাহিদ ও তার বন্ধুরা ঘর থেকে ডেকে নিয়ে গণধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ গাছে ঝুলিয়ে রাখে। বৃহস্পতিবার তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। 

নিহত রিমা জেলার হোসেনপুর উপজেলার জামাইল গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের মেয়ে। সে হোসেনপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণিতে পড়ত। এদিকে কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন, মেয়েটি মৃত্যুর আগে গণর্ধষণের শিকার হয়েছিল। ময়নাতদন্তে এর প্রমাণ পেয়েছেন তিনি। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা