kalerkantho

সোমবার। ১৯ আগস্ট ২০১৯। ৪ ভাদ্র ১৪২৬। ১৭ জিলহজ ১৪৪০

চরফ্যাশনে জমি নিয়ে দ্বন্দ্বে তিনজনকে কুপিয়ে জখম

চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি   

২০ জুলাই, ২০১৯ ১৯:০৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চরফ্যাশনে জমি নিয়ে দ্বন্দ্বে তিনজনকে কুপিয়ে জখম

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার এওয়াজপুর গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ রুহুল আমিন সরকার একাই দা দিয়ে শিশু-বৃদ্ধসহ ৩ জনকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করেছেন। স্থানীরা আহতদের উদ্ধার করে চরফ্যাশন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে। শুক্রবার এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন নাজিম উদ্দিন, ১০ বছরের শিশু সামিয়া, ৭০ বছরের বৃদ্ধ মোশারেফ ফরাজী ও স্ত্রী আমেনা বেগম। এ ব্যাপারে নাজিম উদ্দিন বাদী হয়ে আজ শনিবার রুহুল আমিন সরকারকে প্রধান আসামি করে ৬ জনের বিরুদ্ধে চরফ্যাশন থানা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চরফ্যাশন উপজেলা এওয়াজপুর ৫নং ওয়ার্ড পানির কল চৌমাথা এলাকায় নাজিম উদ্দিন ও তার পার্শ্ববর্তী রুহুল আমিন সরকারের সাথে পুকুরের আড়া কেটে পানি সরানোকে কেন্দ্র করে ৪ দিন পূর্বে বিরোধ বাঁধে। উভয়পক্ষ স্থানীয় গণ্যমান্যদের জানালে ঘটনার দিন শুক্রবার স্থানীয় গণ্যমান্য ও ফয়সালা কারক মোশারফ হোসেন ফরাজী জমি মেপে বুঝ করে দেন। এতে প্রতিপক্ষ রুহুল আমিন সরকার মন মতো হয়নি। সিমানায় নির্ধারণে খুঁটি গাড়তে গেলে রুহুল আমিন দা দিয়ে প্রথম নাজিম উদ্দিন কোপ দেন। তার পাশে থাকা ১০ বছরের শিশু সামিয়া চিৎকার দিয়ে বাবাকে জড়িয়ে ধরলে তাকেও কোপ দেন তিনি। পরে তাদেরকে উদ্ধার করতে গেলে ফয়সালা কারক মোশারেফ হোসেন ফরাজীকেও কুপিয়ে জখম করেন রুহুল। স্থানীরা তাৎক্ষণিক আহতদের উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতাল নিয়ে আসেন।

প্রত্যেক্ষদর্শী বাবুল হোসেন বলেন, আমরা দৌড়ে না আসলে রুহুল আমিনের দার হাত থেকে কাউকে বাঁচানো যেতে না। রুহুল আমিন সরকার এলাকায় ভয়ঙ্কর লোক হিসেবে পরিচিত।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত রুহুল আমিন সরকার বলেন, আমার বাবার কবরের মাটি কাটতে গেলে আমার স্ত্রী বাধা দেয়। তার বাধা উপেক্ষ করায় আমি দা নিয়ে গেছি। ফয়সালা কারক ঝগড়া ছুটাতে গেলে আমার দা তার গায়ে লাগে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা