kalerkantho

সোমবার। ১৯ আগস্ট ২০১৯। ৪ ভাদ্র ১৪২৬। ১৭ জিলহজ ১৪৪০

ভূঞাপুর-তারাকান্দি বাঁধে ধস, প্রবল বেগে ঢুকছে পানি (ভিডিওসহ)

 বন্যা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে গাইবান্ধা ও জামালপুরে  পানিতে ডুবে ও সাপের ছোবলে শিশুসহ ৯ জনের মৃত্যু  রেললাইন ডুবে যাওয়ায় ট্রেন চলাচল ব্যাহত  লালমনি ও রংপুর এক্সপ্রেসের রুট পরিবর্তন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৮ জুলাই, ২০১৯ ২২:৪১ | পড়া যাবে ৮ মিনিটে



ভূঞাপুর-তারাকান্দি বাঁধে ধস, প্রবল বেগে ঢুকছে পানি (ভিডিওসহ)

যমুনার পানির প্রবল চাপে ধসে গেছে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর-তারাকান্দি বাঁধ। বৃহস্পতিবার রাতে ভূঞাপুর পৌর এলাকার টেপিবাড়িতে এই ধসের পর বাঁধের ওই অংশ দিয়ে প্রবল বেগে পানি প্রবেশ করছে। ফলে ঘাটাইল, গোপালপুর ও কালিহাতী উপজেলাজুড়ে প্রবল বন্যার আশঙ্কা তীব্র হয়ে উঠেছে।

এদিকে নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। প্লাবিত হয়েছে নতুন নতুন এলাকা। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে অনেক এলাকা। গাইবান্ধা ও জামালপুরে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। রেললাইন ডুবে জামালপুর-তারাকান্দি-বঙ্গবন্ধু সেতু ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকার পাশাপাশি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে জামালপুর-সরিষাবাড়ী-তারাকান্দি ও জামালপুর-মাদারগঞ্জ সড়ক যোগাযোগ। গাইবান্ধা নিমজ্জিত হওয়ায় পার্বতীপুর হয়ে ঢাকায় চলাচল করছে আন্তঃনগর লালমনি ও রংপুর এক্সপ্রেস। খাবার ও বিশুদ্ধ পানির অভাবে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে লাখ লাখ মানুষ। বন্যার পানিতে ডুবে ও সাপের ছোবলে প্রাণ হারিয়েছে শিশুসহ ৯ জন। আমাদের স্থানীয় ও আঞ্চলিক প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন বিস্তারিত।

ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) : যমুনা বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ হিসেবে ব্যবহৃত ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়কের ৫০ মিটার বৃহস্পতিবার রাত ৮ টার দিকে ভূঞাপুর পৌর এলাকার টেপিবাড়িতে এই ধস দেখা দেয়। এতে ভূঞাপুর-তারাকান্দির মধ্যে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ধসে যাওয়া অংশ দিয়ে প্রবল বেগে পানি প্রবেশ করছে।

যমুনার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ইতিমধ্যে ভূঞাপুর উপজেলার গাবসারা, গোবিন্দাসী, অর্জুনা, নিকরাইল ও ফলদা ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। এর আগে বুধবার রাতে তাড়াই বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় পৌর এলাকার নতুন নতুন গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে শতাধিক গ্রামের এক লাখ ৪০ হাজার মানুষ।

এদিকে কালিহাতীতে পানিতে ডুবে সহোদর দুই বোনের মৃত্যু হয়েছে। থানার ওসি হাসান আল মামুন ও দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম আনোয়ার হোসেন প্রামাণিক জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরের পর চর দুর্গাপুর গ্রামের আবু সাইদের মেয়ে তানজিলা (৮) ও লিমা (৫) বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে বন্যার পানিতে ডুবে যায়। পরে এলাকাবাসী তাদের লাশ উদ্ধার করে। 

গাইবান্ধা : ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদীর পানি ক্রমাগত বাড়তে থাকায় গাইবান্ধা জেলায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে ট্রেন চলাচল। চার উপজেলার সড়ক যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এখানে বৃহস্পতিবার বিকেলে ব্রহ্মপুত্র বিপত্সীমার ১৫০ সেন্টিমিটার এবং ঘাঘট ৯৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। বেশ কয়েকটি বাঁধ ভেঙে বৃহস্পতিবার গাইবান্ধা শহর ও চারটি উপজেলার নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। পৌর এলাকায় ২০টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ছয় হাজার বন্যার্ত মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।

এদিকে গত দুই দিনে সদর উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নের গোদারহাট এলাকায় সোহাগ (৫) নামের একটি শিশু পানিতে ডুবে এবং সাঘাটার কুণ্ডুপাড়ায় উজ্জ্বল কুমার (১৫) নামের একটি কিশোর সাপের ছোবলে প্রাণ হারিয়েছে।

গাইবান্ধা সদরের ত্রিমোহিনী ও বাদিয়াখালি থেকে বোনারপাড়া স্টেশনসংলগ্ন এলাকায় রেললাইনের ওপর দিয়ে তীব্র বেগে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে লালমনিরহাট-সান্তাহার রুটে গাইবান্ধার ত্রিমোহিনী রেলস্টেশন থেকে বোনারপাড়া জংশন পর্যন্ত ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে বুধবার সকাল থেকে। আন্তঃনগর লালমনি এক্সপ্রেস ও রংপুর এক্সপ্রেস বিকল্প পথে রংপুর-পার্বতীপুর-সান্তাহার হয়ে ঢাকায় চলাচল করছে। 

গাইবান্ধা-সুন্দরগঞ্জ সড়কের কদমের তল থেকে ফকিরপাড়া পর্যন্ত এবং গাইবান্ধা-ফুলছড়ি-সাঘাটা সড়ক, গাইবান্ধা-বালাসীঘাট সড়ক, গাইবান্ধা-বোনারপাড়া সড়ক নিমজ্জিত হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা, ফুলছড়ি, সাদুল্যাপুর ও সদর উপজেলার একটি পৌরসভাসহ ৩৭টি ইউনিয়নের ২৫৩টি গ্রাম বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতির মুখে পড়েছে এক লাখ চার হাজার ৩৪০টি পরিবারের তিন লাখ ৯৭ হাজার ৯৮ জন।

জামালপুর : যমুনায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। দেওয়ানগঞ্জের বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে বৃহস্পতিবার বিকেলে যমুনা বিপত্সীমার ১৬৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। বন্যার কারণে জামালপুর-তারাকান্দি-বঙ্গবন্ধু সেতু (পূর্ব) রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে জামালপুর-সরিষাবাড়ী-তারাকান্দি ও জামালপুর-মাদারগঞ্জ সড়ক যোগাযোগ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যমুনা-তীরবর্তী দেওয়ানগঞ্জ, ইসলামপুর, মেলান্দহ ও মাদারগঞ্জ উপজেলা ছাপিয়ে প্রবল বেগে বন্যার পানি আসতে থাকায় সরিষাবাড়ী ও জামালপুর সদর উপজেলায় ব্যাপক বন্যা দেখা দিয়েছে। এ দুটি উপজেলায় দেড় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। সরিষাবাড়ী রেলস্টেশন, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা কার্যালয়, শিমলাবাজার, আরামনগর বাজার, বাসস্ট্যান্ড এলাকা, খাদ্যগুদাম, সরিষাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ গোটা পৌর এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিহাব উদ্দিন আহমদ জানান, এ উপজেলায় লক্ষাধিক মানুষ বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যার্তদের জন্য ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।

জামালপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া, মেষ্টা, তিতপল্লা, তুলসীরচর ও লক্ষ্মীরচর ইউনিয়নে ব্যাপক বন্যা দেখা দিয়েছে। মাদারগঞ্জে চরনাদাগাড়ি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোর থেকে জামালপুর-মাদারগঞ্জ ও মাদারগঞ্জ-ভাটারা রাস্তার বিভিন্ন স্থান নিমজ্জিত হওয়ায় জেলা সদরের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়নের জাগিরপাড়া গ্রামে বন্যার পানিতে ডুবে মিনহাজ নামের চার বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সে স্থানীয় মাসুদ মিয়ার ছেলে।

শেরপুর : বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের পুরনো ভাঙন অংশ দিয়ে পানি প্রবেশ করে সদর, নকলা ও শ্রীবরদী উপজেলার চরাঞ্চলের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি শেরপুর ফেরিঘাট পয়েন্টে এক মিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপত্সীমা ছুঁই ছুঁই করছে। এতে শেরপুর-জামালপুর মহাসড়কের পোড়ার দোকান কজওয়ের (ডাইভারশন) ওপর দিয়ে হাঁটুসমান উচ্চতায় প্রবল বেগে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। যেকোনো সময় শেরপুর থেকে জামালপুর হয়ে ঢাকা ও উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে।

ঝিনাইগাতীতে পাহাড়ি ঢলের পানিতে ডুবে মামুন মিয়া (১২) নামের একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় মীর্জা মিয়ার ছেলে মামুন বুধবার বিকেলে ঢলের পানিতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। বৃহস্পতিবার তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

কুড়িগ্রাম : রৌমারী-রাজীবপুর-জামালপুর মহাসড়কের একাধিক স্থান ডুবে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। রৌমারী-ঢাকা রুটে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। রাজীবপুরের বালিয়ামারী-শিবেরডাঙ্গী বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে ১০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

এদিকে বুধবার দিবাগত রাতে রাজীবপুরে বন্যার পানিতে পড়ে শামীম হোসেন (১৫) এবং রৌমারীতে সাপের ছোবলে ওয়াহেদ আলী (৪০) নামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

বগুড়া : যমুনা নদী বগুড়াসংলগ্ন এলাকায় বিপত্সীমার ১২৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। প্লাবিত হয়েছে সারিয়াকান্দি, সোনাতলা ও ধুনট উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের ১০২টি গ্রাম। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ৯০ হাজার মানুষ। দুই হাজার পরিবার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নিয়েছে। আরো ২০ হাজার পরিবার নিরাপদ স্থানে সরে গেছে। বাঁধে আশ্রয় নেওয়া পরিবারগুলো দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

ফরিদপুর : পদ্মা নদী ও আড়িয়াল খাঁ নদে দ্রুতগতিতে পানি বাড়ছে। গোয়ালন্দ পয়েন্টে পদ্মা বিপত্সীমার ৩৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। ফরিদপুর সদরের নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের কাইমদ্দিন মাতুব্বরের ডাঙ্গি গ্রামে সোয়া কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের পাকা সড়কের এক কিলোমিটারই তলিয়ে গেছে।

রাজবাড়ী : বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া গেজ স্টেশন পয়েন্টে পদ্মার পানি ২৪ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপত্সীমার ৩৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এর ফলে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের বাইরের এলাকাগুলোতে পানি উঠতে শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত সদর উপজেলার বরাট ইউনিয়নের নয়নসুখ গ্রামে বন্যার পানিতে দেড় শতাধিক বাড়িঘর তলিয়ে গেছে।

এদিকে তীব্র স্রোতের কারণে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ রুটে ফেরি চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। তিনটি রো রো ফেরি বিকল হয়ে পড়ায় দুই পারে পারাপারের অপেক্ষায় থাকা যানবাহনের সারি ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে।

সিরাজগঞ্জ : যমুনার গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে কাজিপুরের খাসরাজবাড়ী বাজার। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাজারের হোসেন মিয়া, কোব্বাত, রহিম, নরু ও মিথুনদের দোকানঘরগুলো যমুনার পেটে চলে যায়।

এদিকে মাইবাড়ী ইউনিয়নের ঢেকুরিয়া বাজারসংলগ্ন ওয়াপদা বাঁধ চুইয়ে পানি প্রবেশ করছে। বাঁধের ওই স্থানে যেকোনো সময় ধসের আশঙ্কায় রয়েছে স্থানীয় লোকজন।

যমুনা, করতোয়া ও বড়ালসহ সংশ্লিষ্ট সব নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় গত দুই দিনে শাহজাদপুর পৌর এলাকা ও ১৩টি ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়েছে। দুর্ভোগ পোহাচ্ছে বানভাসি মানুষ।

তাড়াশ উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের রোপা আমন, বোনা আমন ও বীজতলা তলিয়ে গেছে। প্রতিদিন নতুন নতুন এলাকার রাস্তাঘাট প্লাবিত হচ্ছে।

উলিপুর (কুড়িগ্রাম) : কুড়িগ্রামের উলিপুরের মধ্যনাওড়া গ্রামে বৃহস্পতিবার বন্যার পানিতে ডুবে এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় বাবলু মিয়ার কন্যা ববিতা খাতুন (১৬) পাশের বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে আসার পথে তীব্র স্রোতে ডুবে যায়। উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

সুনামগঞ্জ : ঢল ও বর্ষণ বন্ধ থাকায় সুনামগঞ্জের ১১ উপজেলার নিম্নাঞ্চল থেকে পানি নামতে শুরু করেছে। ভাসতে শুরু করেছে ডুবে যাওয়া নলকূপগুলো। টানা আট দিনের ঢল ও বর্ষণে ১১ উপজেলায়ই বন্যার সৃষ্টি হয়েছিল। তবে সুরমা নদী বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকেও বিপত্সীমার ৩৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

নিচের ভিডিওটি সংগৃহীত

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা