kalerkantho

শুক্রবার । ২৩ আগস্ট ২০১৯। ৮ ভাদ্র ১৪২৬। ২১ জিলহজ ১৪৪০

শার্শায় প্রবাসীর স্ত্রীর শ্লীলতাহানি ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগ

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি   

১৮ জুলাই, ২০১৯ ২১:৪১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শার্শায় প্রবাসীর স্ত্রীর শ্লীলতাহানি ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগ

যশোরের শার্শায় প্রবাসীর স্ত্রীর শ্লীলতাহানি ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত সোমবার রাতে শার্শার গোগা গ্রামের পশ্চিম পাড়ায়। এ ঘটনায় দুই দিন ধরে গ্রাম্য সালিশ ডাকা হলে অভিযুক্ত আব্দুল হামিদ (৪৫) বিচারে হাজির হয়নি। আব্দুল হামিদ গোগা গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শার্শার গোগা পশ্চিম পাড়ার হাজী আবদার আলীর ছেলে দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় থাকেন। এ কারণে তার স্ত্রী ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে স্বামীর বাড়িতে বসবাস করেন। গত সোমবার সন্ধ্যায় আব্দুল হামিদ আব্দুস সালামের স্ত্রীর ঘরে ঢুকে খাটের নিচে লুকিয়ে থাকেন। এরপর রাত সাড়ে ১০টার দিকে হামিদ খাটের নিচ থেকে বের হয়ে সালামের স্ত্রীর মুখ চেপে ধরে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। এ সময় সালামের স্ত্রী চিৎকার করে স্বজনদেরকে ডাক দেন। তখন ঘরের আলোয় হামিদকে চিনতে পারায় ওড়নায় গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যার চেষ্টা করেন। পরে আশেপাশের লোকজন ছুটে এলে এক পর্যায়ে হামিদ পালিয়ে যান। 

ব্যাপারটি জানাজানি হওয়ার পর সালামের ভাইয়েরা থানায় জানাতে চাইলে স্থানীয় ইউপি সদস্য তাদেরকে থানায় যেতে বাধা দেন এবং সঠিক বিচার করবেন বলে আশ্বাসও দেন। এদিকে মঙ্গলবার রাতে স্থানীয়ভাবে গ্রাম্য সালিশ বসলেও হামিদ বিচারে হাজির হয়নি। পরদিন বুধবারও বিচারে হাজির হয়নি। 

গ্রামের সাধারণ মানুষের অভিযোগ, হামিদ গ্রামে একাধিকবার এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। ভারতেও হামিদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে।

এ ব্যাপারে আব্দুস সালামের স্ত্রী ও তার পরিবারের স্বজনরা জানান, হামিদ বিভিন্নভাবে তাদেরকে মামলা না করার জন্য হুমকি দিচ্ছেন। 

এলাকার ইউপি সদস্য মনিরুজ্জামান বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আমরা এর সঠিক বিচার করতে চাই। হামিদ বিচার হাজির না হলে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে। 

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত হামিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্ট করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। 

জানতে চাইলে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম মসিউর রহমান বলেন, এমন ঘটনা জানা নেই। তবে যদি কেউ অভিযোগ করে তা তদন্ত করে অপরাধীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা