kalerkantho

শুক্রবার । ২৩ আগস্ট ২০১৯। ৮ ভাদ্র ১৪২৬। ২১ জিলহজ ১৪৪০

দুই বছর ধরে শিশু কন্যাকে ধর্ষণ, বাবাকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

১৮ জুলাই, ২০১৯ ২১:০২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দুই বছর ধরে শিশু কন্যাকে ধর্ষণ, বাবাকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে নিজের শিশু কন্যাকে ধর্ষণ করেছে তারই জন্মদাতা পিতা! এ ঘটনায় ওই পিতাকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ তাকে কোর্ট হাজতে প্রেরণ করেছে।

এদিকে এ ঘটনার পর মেয়েটির মামা প্রতিবাদ করতে গেলে ধর্ষকের এক সঙ্গী তাকে ছুরিকাঘাত করে। ফলে তাকেও গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দেয় স্থানীয়রা। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট জলিল গেইট এলাকায় অস্থায়ী বাসিন্দা ট্রাক চালক সুমন মুন্সী (৪২) দীর্ঘদিন ধরে নিজের চতুর্থ শ্রেণি পড়ুয়া মেয়েকে ধর্ষণ করে আসছিলো। সর্বশেষ গত বুধবার রাতে সুমন মেয়েকে চিপস কিনে দেবার কথা বলে আবারো পুকুর পাড়ে নিয়ে ধর্ষণ করে। কিন্তু মেয়েটির রক্তক্ষরণ হওয়ায় তার মায়ের সন্দেহ হয়। পরে মেয়ের কাছে জানতে চান। এ সময় মেয়েটি তার মাকে সব খুলে বলে। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে সুমনের স্ত্রী নার্গিস আক্তার চিৎকার করলে এলাকাবাসী এসে সুমন মুন্সীকে গণপিটুনি নিয়ে বেঁধে রাখে। 

এদিকে এ ঘটনার খবর পেয়ে মেয়েটির মামা ইউসুফ সেখানে এসে সুমনকে তিরস্কার করলে সুমনের এক সঙ্গী সাইফুল তাকে ছুরিকাঘাত করে। এতে এলাকাবাসী তাকেও গণধোলাই দেয়। শেষে দুই জনকেই পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় এবং মেয়েটির মা নার্গিস আক্তার বাদি হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় মামলা দায়ের করলে বুধবার পুলিশ আটককৃতদের কোর্ট হাজতে প্রেরণ করে। 

সীতাকুণ্ড থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই সুজায়েত হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ধর্ষক সুমন মুন্সীর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানার চুরিখোলা মুন্সিবাড়ি এলাকায়। সে গাড়ি চালকের চাকুরির সুবাদে সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাটে বসবাস করছে। এখানেই প্রায় দুই বছর ধরে নিজের শিশু কন্যাকে বিভিন্ন সময়ে ধর্ষণ করছিলো সে। সর্বশেষ বুধবার রাতে ধর্ষণের পর তা স্ত্রীর কাছে প্রকাশ হয়ে গেলে ধরা পড়ে। পরে এলাকাবাসী তাকে ধরে পিটুনি দেয়। এসময় মেয়েটির মামা ধর্ষককে তিরস্কার করলে তার এক সঙ্গী মেয়েটির মামাকে ছুরিকাঘাত করে। তাকেও এলাকাবাসী পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। বুধবার দুই জনকেই কোর্ট হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা