kalerkantho

বুধবার । ২১ আগস্ট ২০১৯। ৬ ভাদ্র ১৪২৬। ১৯ জিলহজ ১৪৪০

পাকুন্দিয়ায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা!

পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি   

১৮ জুলাই, ২০১৯ ১৭:০৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাকুন্দিয়ায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা!

ময়নাতদন্তের জন্য ভ্যানে করে নেওয়া হচ্ছে স্কুলছাত্রী স্মৃতি আক্তার রীমার মরদেহ। ছবি : কালের কণ্ঠ

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় স্মৃতি আক্তার রীমা (১৫) নামের এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়নের গাংধোয়ারচর গ্রামে বুধবার দিবাগত রাতের কোনো একসময় এ ঘটনা ঘটে। নিহত স্মৃতি আক্তার রীমা হোসেনপুর উপজেলার জামাইল গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের মেয়ে। সে হোসেনপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে পড়ালেখা করত। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে নিহতের পরিবার। 

জানা যায়, ওই স্কুলছাত্রী রীমা পাকুন্দিয়া উপজেলার গাংধোয়ারচর গ্রামে নানার বাড়িতে প্রায়ই বেড়াতে আসত। এ সুবাদে একই উপজেলার পাশের চরফরাদী গ্রামের খুরশিদ উদ্দিনের ছেলে জাহিদের সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত মঙ্গলবার বিকেলে মায়ের সাথে অসুস্থ নানিকে দেখতে নানা বাড়ি আসে রীমা। বুধবার রাত ১০টার দিকে রীমার মা আঙ্গুরা খাতুন বাড়ির পশ্চিম পাশে পুকুর পাড়ে রীমাকে জাহিদের সাথে আলাপ করতে দেখতে পান। এ সময় জাহিদের সাথে আরো ২-৩ জন ছেলে ছিল। রীমাকে ডাক দিলে জাহিদসহ অন্যরা পালিয়ে যায়। পরে রীমাকে ঘরে নিয়ে এসে ঘুমিয়ে পড়েন মা। ভোরে ঘুম থেকে উঠে বিছানায় রীমাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। একপর্যায়ে বাড়ির পশ্চিম পাশে পুকুর পাড়ে একটি বরই গাছের ডালে রীমাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। 

রীমার মামি নাজমা খাতুন জানান, তিনি বুধবার দুপুরে বাড়ির উত্তর পাশের একটি কুমড়া ক্ষেতের কাছে রীমাকে জাহিদের সঙ্গে আলাপ করতে দেখেছেন।

রীমার বড় মামা মোস্তফা জানান, চরফরাদী গ্রামের খুরশিদ উদ্দিনের ছেলে জাহিদ রীমাকে রাতে বাড়ি থেকে ডেকে পুকুর পাড়ে নিয়ে যায়। পরে তার বন্ধু একই গ্রামের রুবেল মিয়ার ছেলে পলাশসহ আরো ২-৩ জন মিলে রীমাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে বরই গাছের ডালে ঝুলিয়ে রাখে। তার প্রমাণ হিসেবে 

পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মফিজুর রহমান এ ব্যাপারে বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর ধর্ষণ ও মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা