kalerkantho

বুধবার । ২১ আগস্ট ২০১৯। ৬ ভাদ্র ১৪২৬। ১৯ জিলহজ ১৪৪০

বন্যার্তদের মাঝে দুই মন্ত্রীর ত্রাণ বিতরণ, বাঁধ মেরামতের ঘোষণা

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৮ জুলাই, ২০১৯ ১৬:৩৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বন্যার্তদের মাঝে দুই মন্ত্রীর ত্রাণ বিতরণ, বাঁধ মেরামতের ঘোষণা

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় পারকুল থেকে কসবা পর্যন্ত কুশিয়ারা নদীর উভয় তীরে ৫ কিলোমিটার বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ মেরামতে গ্রহণ করা হচ্ছে ৫১২ কোটি টাকার প্রকল্প। সফলভাবে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বর্ষাকালে আর বাড়ি-ঘর তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় বিনিদ্র রজনী যাপন করতে হবে না এলাকাবাসীকে। এ বছরই এই প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। এই এলাকায় যাতে বন্যার পানি প্রবেশ না  করে তার ব্যবস্থা করা হবে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার কসবা এলাকার একটি মাঠে বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এই তথ্য জানান পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম। এ সময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান ত্রাণ নিতে আসা বনার্তরা পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট পেয়েছে কি-না জানতে চাইলে এগুলো বিতরণ করা হয়নি বলে জবাব দেন সবাই। পরে মন্ত্রী বন্যার্তদের জন্য সুপেয় পানি নিশ্চিত করতে উপস্থিত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরকে নির্দেশ দেন। 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান বলেন, এবার বন্যা আসার এক সপ্তাহ পূর্বেই আমার আগাম সতর্ক বার্তা পেয়েছি। সেই অনুযায়ী দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য শুকনো খাবার ও নগদ টাকাসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ মজুদ করে প্রতিটি জেলায় পৌঁছে দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগনকে ভালোবাসেন বলেই সকল মন্ত্রীকে এবং নেতাকর্মীকে দুর্গত মানুষের কাছে পাঠিয়েছেন। সকলে মিলে এক সাথে এই দুর্যোগ মোকাবেলা করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী সব সময় আপনাদের খবর রাখছেন। খাদ্য এবং ওষুধের জন্য কাউকে চিন্তা করতে হবে না।

হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, ১ হাজার বন্যার্তের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন প্রতিমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রী। এসবের মধ্যে রয়েছে চাল, ডাল, তেল, মসলা, নুডুলস, লবণ, সেমাইসহ বিভিন্ন ধরনের শুকনো খাদ্যসামগ্রী।

এ সময় হবিগঞ্জ ১ আসনের এমপি গাজী মোহাম্মদ শাহ নেওয়াজ, সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী, হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আলমগীর চৌধুরী, জেলা পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মহিবুর রহমান মাহি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা