kalerkantho

বুধবার । ২১ আগস্ট ২০১৯। ৬ ভাদ্র ১৪২৬। ১৯ জিলহজ ১৪৪০

বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম

ফেনী প্রতিনিধি    

১৭ জুলাই, ২০১৯ ২০:৩০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম

ফেনী পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার ও জেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এম সাখাওয়াত হোসেনকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে।

আজ বুধবার দুপুরে একদল অস্ত্রধারী দুর্বৃত্ত তাকে জিম্মি করে ফেনীর মধুপুরের নিজবাড়ির পাশে নিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাকে পুলিশের সহায়তায় উদ্ধার করে মুমূর্ষু অবস্থায় ২৫০ শয্যা ফেনী সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

তিনি ফেনী ২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারীর ‘সাজা কম খাটা’ বিষয়ে উচ্চ আদালতে দায়ের করা মামলার বাদী।

হাসপাতালে উপস্থিত সাংবাদিকদের এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, তিনি বুধবার ফেনীর আদালতে একটি মামলায় হাজিরা দিতে আসেন। সেখান থেকে বাড়িতে গেলে দুপুরে জোহরের নামাজের পূর্ব মুহুর্তে ২০/২৫ জনের একদল অস্ত্রধারী দুর্বৃত্ত তাকে জিম্মি করে বাড়ির পাশে নিয়ে গিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। এ সময় তার চিৎকারে আশপাশের লোক এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা মৃত ভেবে ফেলে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দিলে ফেনী মডেল থানার ওসি মো. আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ফেনী সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ফেনী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রেদোয়ান হোসেন বলেন, রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা প্রেরণ করা হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ভাঙা ও জখম রয়েছে। মাথা, মুখমন্ডল, হাত ও পায়ে আঘাত রয়েছে বলে তিনি জানান।

ফেনী সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ( আরএমও) ডা. আবু তাহের কালের কণ্ঠকে জানান, শাখাওয়াতের পায়ে জখম রয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

ফেনী মডেল থানার ওসি আলমগীর হোসেন জানান, খবর পেয়ে আমি ফোর্স নিয়ে সেখানে যাই এবং তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাই। এ বিষয়ে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, এক সময়ের জয়নাল হাজারীর ঘনিষ্ঠ সহচর, ক্লাস কমিটির নেতা ও জেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক এম সাখাওয়াত হোসেন। বেশ কয়েকটি মামলাও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সদ্য অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের সময়ও তার বাড়িতে হামলা হয়েছিল। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠায়। ১০/১২ দিন পূর্বে তিনি কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা