kalerkantho

সোমবার। ১৯ আগস্ট ২০১৯। ৪ ভাদ্র ১৪২৬। ১৭ জিলহজ ১৪৪০

ক্যাম্প পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

একই পরিবারের পাঁচজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম

অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি   

১৭ জুলাই, ২০১৯ ০২:০৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



একই পরিবারের পাঁচজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম

ছবি: কালের কণ্ঠ

যশোরের অভয়নগরে জমিজমার বিরোধকে কেন্দ্র করে একই পরিবারের পাঁচজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নের পোতপাড়া গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহত পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

এ ঘটনায় অভয়নগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তবে স্থানীয় পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের প্রধান কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। 

আহতরা হলেন- আব্দুল গফ্ফার শিকদার (৫০), স্ত্রী মোছা. রাবেয়া বেগম (৪০), ছেলে শাহাবুদ্দিন শিকদার (১৪), মেয়ে ময়িরম খাতুন (১৭) ও ছালিনা খাতুন (১৫)। 

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আব্দুল গফ্ফার শিকদার বলেন, প্রায় ১৩ বছর পূর্বে চাচাতো ভাই রফিকুল শিকদারের ৪ শতক ও লুৎফর শিকদারের ১ শতক এবং আবু বক্কার শিকদারের নিকট হতে ২.৫ শতক জমি ক্রয় বাবদ ৩৭ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে ওই জমির দখল ও রেজিস্ট্রি দলিল করতে চাইলে উল্লেখিত তিনজন বিভিন্ন ধরনের ছল চাতুরি শুরু করেন। 

এরই সূত্র ধরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মৃত জামশেদ শিকদারের ছেলে আবু বক্কার শিকদার, মৃত ইব্রাহিম শিকদারের ছেলে আব্বাস শিকদার ও মকবুল শিকদার, আব্বাস শিকদারের স্ত্রী আফরোজা বেগম ও ছেলে জাহিদুল ইসলাম, মকবুল শিকদারের ছেলে ওবায়দুল শিকদার, মৃত মোহাম্মদ মোল্যার স্ত্রী রহিমা বেগম ও ছেলে হেলাল মোল্যা এবং শহিদুল শেখের স্ত্রী নাছরিন বেগম দেশিয় অস্ত্র সহকারে আমার বাড়িতে প্রবেশ করে আমাকেসহ আমার স্ত্রী ও সন্তানদের কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করেন। 

পরে তারা আমার ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুরসহ নগদ ৫৫ হাজার টাকা, স্বর্ণালংকার লুট করে পালিয়ে যায়। পরে গ্রামবাসীর সহযোগিতায় অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হই। এখন আমরা অসহায় ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে ভুগছি। তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমার পরিবারের ওপর হামলা ও ক্রয়কৃত জমির দখল ও রেজিস্ট্রি সংক্রান্ত জটিলতার বাধা স্থানীয় ইউপি সদস্য মুসা শেখ এবং ভাটপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান। 

এ ব্যাপারে ভাটপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইন্সপেক্টর আব্দুল মান্নান বলেন, তাকে জড়িয়ে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। ওই পরিবারের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ পেয়েছেন তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

স্থানীয় ইউপি সদস্য মুসা শেখ তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আব্দুল গফ্ফার শিকদার তার মাকে মারপিট করায় তাকে অন্যান্য আত্মীয়রা মারপিট করেছে। এদের ব্যাপারে আমার বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই। মারপিটের ঘটনার অন্যতম হোতা আব্বাস শিকদারের ০১৯৬৪-৬৬৩৭৬২ নম্বরে বার বার যোগাযোগ করা হলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা