kalerkantho

সোমবার। ১৯ আগস্ট ২০১৯। ৪ ভাদ্র ১৪২৬। ১৭ জিলহজ ১৪৪০

পদ্মায় পানি ও স্রোত বৃদ্ধি

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটে ফেরি চলাচল ব্যাহত, যাত্রীদের ভোগান্তি

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৬ জুলাই, ২০১৯ ১৯:০২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটে ফেরি চলাচল ব্যাহত, যাত্রীদের ভোগান্তি

কয়েক দিন ধরে নদীতে পানি বৃদ্ধি ও প্রবল স্রোতের কারণে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ৪০ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতিনিয়ত ঘাটের পন্টুন পানি লেভেল থেকে উপরে উঠানো হচ্ছে। এ ছাড়া ফেরি সংঙ্কট ও এ রুটে চলাচলকারী ফেরিগুলো বেশ পুরোনো হওয়ায় স্রোতের বিপরীতে চলাচল করতে স্বাভাবিক সময়ের থেকে প্রায় দ্বিগুণ সময় লাগছে।

এ কারণে গত কয়েকদিন যাবৎ পাটুরিয়া ঘাটে পার হতে আসা পণ্যবাহী ট্রাকগুলোকে দুই-তিন ঘাটে এসে পারের অপেক্ষায় বসে থাকতে হচ্ছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে যাত্রী ও চালকরা। অপরদিকে যাত্রীবাহী দূরপাল্লার বাসগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আগে পার করা হলেও তাদের দীর্ঘ সময় ঘাটে বসে থেকে পার হতে হচ্ছে। মঙ্গলবার পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় তিনশতাধিক পণ্যবাহী ট্রাকসহ সাড়ে তিনশতাধিক যানবাহন পারের অপেক্ষায় রয়েছে।

বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের মহা-ব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. আজমল হোসেন জানান, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নদীতে দ্রুত পানি বৃদ্ধি ও প্রবল স্রোতে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। স্রোতে ফেরিকে মূল চ্যানেল থেকে দুই-তিন কিলোমিটার ভাটিতে নিয়ে যাচ্ছে। এতে স্বাভাবিক সময়ের থেকে বেশি সময় লাগছে।

তিনি বলেন, কয়েকটি ফেরি বেশ পুরোনো হওয়ায় ভরা নদীতে স্রোত ঠেলে চলতে গিয়ে মাঝে মাঝে বিকল হয়ে যাচ্ছে। ফলে ঘাটে যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ নৌরুটে ছোট বড় ১৫টি ফেরি চলাচল করছে। তবে ঘাটে যানবাহনের চাপ থাকলেও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যাত্রীবাহী দূরপাল্লার বাসগুলো আগে পার করা হচ্ছে।

বিআইডব্লউটিসির পাটুরিয়া ঘাটের মেরিন বিভাগের এজিএম মো. আব্দুস সুবাহান জানান, আসন্ন ঈদ উপলক্ষে বেশ কয়েকটি ফেরি মেরামতের জন্য ডগইয়ার্ডে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে নদীর স্রোতের যে অবস্থা তাতে এ নৌরুটে বহরে থাকা ফেরিগুলো রাত-দিন বিরামহীনভাবে চলাচলের কারণে দুর্বল হয়ে পড়েছে।

রোরো মতিউর রহমান ফেরির মাস্টার অফিসার হাবিবুর রহমান জানান, স্বাভাবিক সময়ে নদী পার হতে আমাদের প্রায় ৪০ মিনিট সময় লাগে। এখন ২০-২৫ মিনিট সময় বেশি লাগছে। এ কারণে ফেরির ট্রিপ সংখ্যা কমে গেছে।

শামীম হোসেন নামে এক পণ্যবাহী ট্রাকচালক জানান, ঘাটে পার হতে এসে গত দুই দিন যাবৎ বসে আছি। কখন পার হতে পারবো তাও বলতে পারছি না। ঘাটে খাওয়া, গোসল, বাথরুম করা খুব কষ্ট হচ্ছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা