kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৮ জুলাই ২০১৯। ৩ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৪ জিলকদ ১৪৪০

টানা বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত শ্রীবরদীর

রেজাউল করিম বকুল, শ্রীবরদী (শেরপুর)    

১২ জুলাই, ২০১৯ ২০:১৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



টানা বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত শ্রীবরদীর

কয়েকদিনের প্রবল বর্ষণ ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার চার ইউনিয়নের ১০টি গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এক হাজার পরিবার।

প্লাবিত গ্রামগুলোর কাঁচা ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, রোপা আমন ধানের বীজতলা, সবজি, পুকুরের মাছ পানিতে তলিয়ে গেছে। আবহাওয়া অপরিবর্তিত থাকলে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটবে বলে আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা।

গত সোমবার শুরু হয় অবিরাম বর্ষণ। সেইসঙ্গে  উজান থেকে নেমে আসে পাহাড়ি ঢল। এতে শ্রীবরদীর কাকিলাকুড়া, তাতিহাটি, গোসাইপুর, ভেলুয়া ও খড়িয়াকাজীরচর ইউনিয়নের ১০টি গ্রামের প্রায় এক হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। প্লাবিত গ্রামের রাস্তাঘাট, আমন ধানের বীজতলা ও সবজি ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। ভেসে গেছে শতাধিক পুকুরের মাছ। এতে গৃহপালিত পশু নিয়ে আক্রান্তরা পড়েছেন চরম বিপাকে। বাড়িতে পানি ওঠায় চুলা জ্বালাতে পারছে না প্লাবিত এলাকার মানুষ। শুকনো খাবার খেয়েই দিন পার করছে তারা।

কাকিলাকুড়া গ্রামের ভুতনিকান্দা গ্রামের সামিউল হক, চিতলিপাড়া গ্রামের আমিনুল, রাজু মিয়া, বাঘহাতা গ্রামের শমসের আলী, তাতিহাটির ভটপুর গ্রামের সাত্তার মিয়া, ঘোনাপাড়া গ্রামের আমের আলীসহ অনেকে জানান, বন্যার পানিতে তাদের এলাকার রাস্তাঘাট ডুবে গেছে। তলিয়ে গেছে আমন ধানের বীজতলাসহ সবজি ক্ষেত। ভেসে গেছে পুকুরের মাছ। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি আরো অবনতি হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

তবে বন্যার পানি দ্রুত নেমে গেলে কৃষি ক্ষেত্রে তেমন ক্ষতি হবে না বলে জানান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হাছান। তিনি বলেন, কিছু বীজতলা ও সবজি ক্ষেত ডুবে গেছে। বন্যার সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শনে কৃষি অফিসের সবাই তৎপর। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা