kalerkantho

শনিবার । ২০ জুলাই ২০১৯। ৫ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৬ জিলকদ ১৪৪০

ফতুল্লায় ১২ ছাত্রীকে ধর্ষণ : গ্রেপ্তার প্রধান শিক্ষকের দোষ স্বীকার

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি    

১২ জুলাই, ২০১৯ ০০:৫০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফতুল্লায় ১২ ছাত্রীকে ধর্ষণ : গ্রেপ্তার প্রধান শিক্ষকের দোষ স্বীকার

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা বাইতুল হুদা ক্যাডেট মাদরাসার ১২ ছাত্রীকে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগে গ্রেপ্তার প্রধান শিক্ষক আল আমিন দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ কাউছার আলমের আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন তিনি।

নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক হাবিবুর রহমান জানান, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ৫ দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হলে অধ্যক্ষ আল আমিন দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। এরপর আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আরেকটি মামলা রয়েছে। এ মামলায় আগামী রবিবার আল আমিনের বিরুদ্ধে আদালতে আরো ১০ দিনের রিমান্ড শুনানী অনুষ্ঠিত হবে।

মামলার তদন্তকারী অফিসার মুহাম্মদ মাঈনুল ইসলাম জানান, অধ্যক্ষ আল আমিন তার মুঠোফোন ও কম্পিউটারে পর্ন ছবি রাখতেন। প্রায় সময় সে ছবি দেখতেন। এতে যৌন উত্তেজনা ধরে রাখতে না পেরে ছাত্রীদের নিপীড়ন করতেন। এ ছাড়াও তিনি আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন যা তদন্তের স্বার্থে বলা যাচ্ছে না।

আদালত সূত্রে জানা যায়, পৃথক দুটি মামলায় উল্লেখ আছে মাদরাসায় অধ্যয়নকালে একাধিক ছাত্রীকে মূলত পানি পানের প্রলোভনে ঘরে ডেকে নিতেন আল আমিন। এ ছাড়া বইপত্র গোছানোসহ নানা ইস্যুতে ছাত্রীদের নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করতেন। এসব ঘটনার সময়ে আল আমিনের স্ত্রী বাসায় থাকতেন না। মূলত তার অবর্তমানেই এসব অনৈতিক কাজ হতো।

মামলায় আরো উল্লেখ করা হয়, বিভিন্ন ছাত্রীর ছবি তুলে সেই ছবির মাথা কেটে অন্য দেহে পর্নোগ্রাফি ছবির সঙ্গে যুক্ত করতেন আল আমিন। আর এসব ছবি দেখিয়ে ওই ছাত্রীদের ব্ল্যাকমেইলিং করা হতো।

উল্লেখ্য, ফতুল্লার কুতুবপুর ইউনিয়নের মাহমুদপুর এলাকায় অবস্থিত ওই মাদরাসা থেকে ৪ জুলাই বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় আল আমিনকে আটক করেছে র‌্যাব ১১ এর একটি টিম। এ সময় তার মুঠোফোন ও কম্পিউটারে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণে পর্নোগ্রাফি ভিডিও পাওয়া গেছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা