kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৮ জুলাই ২০১৯। ৩ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৪ জিলকদ ১৪৪০

চুয়াডাঙ্গায় চকলেট দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ধর্ষণ

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি   

১২ জুলাই, ২০১৯ ০০:২৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চুয়াডাঙ্গায় চকলেট দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ধর্ষণ

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামে ৬ বছর বয়সী এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। চকলেট খেতে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বুধবার বিকেলে ওই শিশুকে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন পঞ্চাশোর্ধ বয়সী ধর্ষক আব্দুল মালেক। গুরুতর জখম অবস্থায় ওই শিশুকে বৃহস্পতিবার রাতে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়দের উদ্ধৃতি দিয়ে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান জানান, গোপীনাথপুর গ্রামের দরিদ্র ভ্যানচালকের ওই শিশু বুধবার বিকেলে বাড়ির পাশে খেলা করছিল। এ সময় প্রতিবেশী আব্দুল মালেক চকলেট খেতে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে একটি ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে।

প্রতিবেশীরা জানান, কয়েক দিন ধরে আব্দুল মালেকের স্ত্রী বাড়িতে নেই। মেয়ের চিকিৎসার জন্য মা- মেয়ে বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছে। এই সুযোগে মালেক চকলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ওই শিশুকে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। এরপর তাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে।

নির্যাতিত শিশুর মা জানান, ধর্ষণের কারণে ঘটনার দিন সন্ধ্যায় আমার মেয়ে কিছুটা অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে সে তার মামীর কাছে ঘটনার বর্ণনা দেয়। বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে পালিয়ে যায় ধর্ষক আব্দুল মালেক।

হাসপাতালের গাইনি কনসালটেন্ট ডা. আকলিমা খাতুন ওই শিশুটিকে চিকিৎসার পাশাপাশি নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ছুটে যান পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান।

পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, আমরা প্রাথমিকভাবে নির্যাতিত ওই শিশুটির চিকিৎসার বিষয়টি নিশ্চিত করছি। একই সাথে ধর্ষক আব্দুল মালেককে গ্রেপ্তারে পুলিশ ইতিমধ্যে মাঠে নেমেছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা