kalerkantho

শুক্রবার । ১৯ জুলাই ২০১৯। ৪ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৫ জিলকদ ১৪৪০

স্ত্রীর 'গরম তেলে' ঝলসে যাওয়ার ১০ দিন পর মৃত্যু হলো দিদারের

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি    

২৭ জুন, ২০১৯ ১৫:৫২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্ত্রীর 'গরম তেলে' ঝলসে যাওয়ার ১০ দিন পর মৃত্যু হলো দিদারের

লক্ষ্মীপুরে স্ত্রী জহুরা বেগমের দেওয়া 'গরম তেলে' ঝলসে যাওয়ার ১০ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্বামী দিদার হোসেনের (৩২) মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) দুপুরে দিদারের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজিজুর রহমান মিয়া। সকালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দিদারের মৃত্যু হয়। 

থানা পুলিশ জানায়, ১৭ জুন ভোরে লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ রোড এলাকার ভাড়া বাসায় ঘুমন্ত অবস্থায় দিদারের শরীরে গরম তেল ঢেলে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে স্ত্রী জহুরা ও তার ভাই আলমগীরের বিরুদ্ধে। ঘটনার দিনই দিদারের মা বানু বেগম বাদী হয়ে জহুরা ও আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকে জহুরা ও তার ভাই আলমগীর পলাতক থাকায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। 

মামলা সূত্র জানা যায়, পারিবারিক কলহের জের ধরে ঘটনার দিন জহুরা ও তার ভাই আলমগীর গরম তেল ঢেলে দিদারের শরীর ঝলসে দেয়। এতে তার মুখ-হাত ও বুকসহ শরীরের ৪০ শতাংশ পুড়ে যায়। দগ্ধ অবস্থায় তাকে সদর হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের বার্ণ ইউনিটের পাঠানো হয়। 

এ ব্যাপারে লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজিজুর রহমান মিয়া বলেন, দিদার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। গরম তেল দিয়ে ঝলসে দেওয়ার মামলাটি এখন হত্যা মামলার ধারা অন্তর্ভুক্ত করা হবে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। 

প্রসঙ্গত, দগ্ধ দিদার সদর উপজেলার চররুহিতা গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে। ২০০৩ সালে উপজেলার চররমনী মোহন গ্রামের নুরুল ইসলামের মেয়ে জহুরার সঙ্গে দিদারের বিয়ে হয়। পরে পারিবারিক কলহের কারণে ২০১৬ সালে তাদের বিয়ে বিচ্ছেদ ঘটে। পরে দুজনই অন্যত্র বিয়ে করেন। প্রায় এক বছর আগে জহুরাকে পুনরায় দিদার বিয়ে করেন। এরপর থেকে তারা লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ রোড এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিলেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা