kalerkantho

মঙ্গলবার। ১৬ জুলাই ২০১৯। ১ শ্রাবণ ১৪২৬। ১২ জিলকদ ১৪৪০

ধর্ষণ মামলার আসামি র‍্যাবের ক্রসফায়ারে নিহত

সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি ও অনলাইন ডেস্ক   

২৭ জুন, ২০১৯ ১২:৩৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ধর্ষণ মামলার আসামি র‍্যাবের ক্রসফায়ারে নিহত

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের পূর্ব আমিরাবাদে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) ৭ এর সাথে বন্দুকযুদ্ধে মো. রানা (২৩) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলা সদর হাসপাতালসংলগ্ন পশ্চিম মুরাদপুর সড়কের পাশে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় র‍্যাব ঘটনাস্থল থেকে একটি একনলা বন্ধুক ও ১১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে। 

কালের কণ্ঠকে বিষয়টি নিশ্চিত করে র‍্যাব ৭ এর আইন ও গণমাধ্যম শাখার সহকারী পরিচালক সহকারী পুলিশ সুপার মো. মাশকুর রহমান বলেন, র‍্যাবের একটি টহলদল ওই এলাকায় টহল দেওয়ার সময় সেখানে আগে থেকেই অবস্থান নেওয়া ৬-৭ জনের একদল সন্ত্রাসী র‍্যাবকে লক্ষ্য করে হঠাৎ করেই গুলি ছোড়ে। এ সময় র‍্যাব পাল্টা গুলি ছোড়ে। গুলির শব্দে ঘর থেকে লোকজন বেরিয়ে এলে র‍্যাব গুলি ছোড়া বন্ধ করে দেয়। এর পর কিছুক্ষণ সন্ত্রাসীদের পক্ষ থেকে গুলি চলতে থাকে। একসময় গুলি ছোড়া বন্ধ করে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।  

এএসপি মাশকুর আরো জানান, এ সময় এলাকাবাসী ও র‍্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে সেখানে এক যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে। এর পর পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে স্থানীয়রা এবং পুলিশ ওই যুবককে মো. রানা (২৩) বলে শনাক্ত করে। সে সীতাকুণ্ড পৌরসভাধীন পূর্ব আমিরাবাদ গ্রামের নুরুল আলম সওদাগর বাড়ির নুরুল ইসলাম ও ছায়েরা বেগমের ছেলে। নিহত রানা ধর্ষণ মামলার আসামি। এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে সে একই এলাকার সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। ওই মামলার সে একমাত্র অভিযুক্ত।

ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধারকারী সীতাকুণ্ড থানার এসআই মো. হারুনুর রশিদ জানান, সাড়ে ৫টায় র‍্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ধর্ষক রানা নিহতের খবর পেয়ে আমি সেখানে ছুটে যাই। পরে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করেছি। রানার বুকে ও পিঠে দুটি গুলি বিদ্ধ হয়েছে।  

সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (ইন্টেলিজেন্স) সুমন বণিক জানান, গত ৫ ফেব্রুয়ারি রানার বিরুদ্ধে সীতাকুণ্ড থানায় সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছিল। ঘটনার পর সে পালিয়ে যায়। আজ র‍্যাবের সাথে বন্দুকযুদ্ধে সে নিহত হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা