kalerkantho

সোমবার। ১৯ আগস্ট ২০১৯। ৪ ভাদ্র ১৪২৬। ১৭ জিলহজ ১৪৪০

গলাচিপাসহ তিন উপজেলার সংযোগ ব্রিজটির বেহাল দশা

গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি   

২৭ জুন, ২০১৯ ০৪:৫৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গলাচিপাসহ তিন উপজেলার সংযোগ ব্রিজটির বেহাল দশা

ছবি: কালের কণ্ঠ

পটুয়াখালীর গলাচিপা-আমতলী ও কলাপাড়া উপজেলার মানুষের মধ্যে যোগাযোগের বন্ধন বলইবুনিয়া-টেপুরা আয়রন স্টাকচারের ব্রিজটির বেহাল দশা। ফুটওভার ব্রিজের প্রায় অর্ধেকাংশের স্লিপার ভেঙে গেছে। এক পাশের আয়রন রেলিং খসে পড়েছে।

স্লিপার ভেঙে যাওয়ায় এলাকার মানুষ কোনোমতে যাতায়াত করতে কাঠের লম্বা তক্তা দিয়ে পায়ে হেটে যাতায়াতের ব্যবস্থা চালু রেখেছেন। নির্মাণের পর থেকে এ ব্রিজ দিয়ে লোকজন ছাড়াও মোটরসাইকেলসহ ছোট যানবাহন পারাপার হতো।

এতে এলাকার মানুষের অনেক সুবিধা হতো। কিন্তু বর্তমানে ব্রিজটির বেহাল দশার কারণে দুই এলাকার মানুষই যাতায়াতের ক্ষেত্রে প্রচণ্ড দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, খালের দুই পাশে দুইটি বড় আকারের বাজারও রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, প্রায় ২০ বছর আগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এ ব্রিজটি নির্মাণ করে। নির্মাণের দীর্ঘ সময়ের মধ্যে ব্রিজের স্লিপারগুলো একে একে ভেঙে যায়। স্লিপার নির্মাণে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম সিমেন্ট ও নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের ফলে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ বিষয়টি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বারবার অবহিত করা হলেও কোনো প্রতিকার মেলেনি। পরে প্রায় দেড় বছর আগে স্থানীয় সমাজ সেবী কামরান সাইদ প্রিন্স মহব্বতের ব্যক্তিগত টাকায় এলাকার তরুণরা ব্রিজটিতে কাঠের তক্তা দিয়ে চলাচলের উপযোগী করে।

এ বিষয় ওই এলাকার বাসিন্দা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার বলেন, ‘গলাচিপা-আমতলী-কলাপড়া উপজেলার মোহনায় বলইবুনিয়া-টেপুরা আয়রন ব্রিজটি ১৯৯৯ সালের দিকে এই ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়েছে। এর পর আর মেরামত করা হয়নি। এ তিন উপজেলার কয়েক হাজার লোক এ ব্রিজটি দিয়ে প্রতিদিন যাতায়েত করে।’

এ প্রসঙ্গে গলাচিপা উপজেলা প্রকৌশলী আতিকুর রহমান তালুকদার বলেন, ব্রিজটি সম্পূর্ণ ভেঙে গেছে। পুনর্নির্মাণের জন্য প্রকল্প তৈরি করা হয়েছে। আশা আগামী অর্থ বছরেই কাজ শুরু হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা