kalerkantho

রবিবার । ২১ জুলাই ২০১৯। ৬ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৭ জিলকদ ১৪৪০

বাজেট পর্যালোচনায় ইবি ছাত্র ইউনিয়নের উম্মুক্ত আলোচনা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

২৬ জুন, ২০১৯ ২১:১১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাজেট পর্যালোচনায় ইবি ছাত্র ইউনিয়নের উম্মুক্ত আলোচনা

শিক্ষাখাতে ২০১৯-২০ অর্থ বছরের বাজেট পর্যালোচনায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে উম্মুক্ত আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসি কোরিডোরে আলোচনা সভার আয়োজন করে ছাত্র উনিয়ন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ।

‘শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভাবনায় শিক্ষা বাজেট, জাতীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রেক্ষিত’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থনীতি বিভাগের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক অধ্যাপক আব্দুল মুঈদ।

ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জি কে সাদিকের সঞ্চালনায় অধ্যাপক আব্দুল মুঈদ বলেন, বাজেট করতে হলে একটি দৃষ্টিভঙ্গির দরকার আছে। এবারের বাজেটটাও গতানুগতিক হয়েছে। বাজেটের ক্ষেত্রে শিক্ষাক্ষাতে কত টাকা দিয়েছে তা না দেখে কত প্রয়োজন ছিলো তা দেখার বিষয়। আমাদের দেশের কালোটাকার পরিমাণ পাঁচ হাজার কোটি টাকা। পাচার হয়েছে পাঁচ লক্ষ ৮৮ হাজার কোটি টাকা। এদিকে নজর দেন। একজন সরকারের যতদিন পর্যন্ত বাজেট দর্শন ভালো হবে না ততদিন পর্যন্ত সেই সরকারের কাছে ভালো বাজেট আশা করা যায় না।

বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনা রাখেন পরিসংখ্যান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আলতাফ হোসেন রাসেল, বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাইফুজ্জামান, অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফারহানা তানজিম তিথিল। সভায় সভাপতিত্ব করেন ছাত্রইউনিয়নের ইবি সংসদের সভাপতি নূরনবী সবুজ।

সভায় সহকারী অধ্যাপক ফারহানা তানজিল তিথিল বলেন, মোট বাজেটের দুই শতাংশ শিক্ষাক্ষাতে থাকছে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে কেবল বাংলাদেশে শিক্ষাক্ষাতে বাজেট সব থেকে কম। যতটুকু বাজেট পাচ্ছি তার মধ্যে বেশির ভাগ বেতন ভাতা, শিক্ষা উপকরণ এসব ক্ষাতে ব্যয় হচ্ছে।

সহযোগী অধ্যাপক আলতাফ হোসেন রাসেল বলেন, বর্তমান সরকারের সব থেকে বড় ব্যর্থতা শিক্ষাক্ষাতে। আমরা চাই বা না চাই শিক্ষা নিয়ে ব্যবসা হচ্ছে। আমাদের দেশও পুঁজিবাদের দিকে আগাচ্ছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণা দেখলে বোঝা যায় আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা কতটা মুমূর্ষু অবস্থায় আছে। শিক্ষা বাজেট বাড়ানোর আগে শিক্ষার বর্তমান অবস্থা নির্ধারণ করা দরকার।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা