kalerkantho

বুধবার । ১৭ জুলাই ২০১৯। ২ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৩ জিলকদ ১৪৪০

সামান্য বৃষ্টিতেই মহাসড়কে হাঁটু পানি

হাতীবান্ধা (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি   

২৬ জুন, ২০১৯ ১৭:৪৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সামান্য বৃষ্টিতেই মহাসড়কে হাঁটু পানি

পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় সামান্য বৃষ্টিতেই হাঁটু পানি জমে থাকে মহাসড়কে। সড়কের ওপর দিয়ে কোনো যানবাহন গেলেই চলাচলরত পথচারী ও সড়কের পাশে অবস্থিত দোকানদের ওপর ছিটকে গিয়ে পড়ছে কাঁদা-পানি। তাতে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে পথচারীর পোশাক ও দোকানদারদের মালামাল।
 
পানি আটকে থাকায় সড়কের পাশে অবস্থিত দোকানে যাচ্ছে না কোনো ক্রেতা। শুধু ক্রেতা বিক্রেতা নয় এ সমস্যায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষদের। এই সমস্যার কারণে উপজেলার সোনালী ব্যাংক এলাকা থেকে মোরর্শেদ সার ঘর পর্যন্ত কাঁদায় ভরে গেছে।
 
এদিকে উপজেলা প্রসাশনকে বিষয়টি অবগত করলেও তারা শুধু আশ্বাসের বানী শুনিয়েছেন। পানি সরানোর কোনো ব্যবস্থা নেননি বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এই দুর্ভোগ থেকে রেহাই পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীরা। 
 
ভুক্তভোগী রবিউল স্টোরের মালিক রবি বলেন, এই এলাকায় কোনো ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টি হলেই মহাসড়কে হাঁটু পানি জমে থাকে। আর দোকানের সামনে এভাবে পানি জমে থাকলে ক্রেতারা আসতেই চায় না। যদি কোনো যানবাহন যায় তাহলে কাঁদা ছিটকে এসে দোকোনে কাপড় নষ্ট হওয়ায়র উপক্রম হয়।
 
হারুন আটোর মালিক হারুন বলেন, খুবেই বাজে অবস্থা। সামান্য বৃস্টি হলে ভোগান্তি পোহাতে হয় সাধারণ মানুষদের।
 
পথচারী হাসু বলেন, আমি এ নিয়ে অনেক বার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছবি তুলো পোস্ট করেছি। তবে কোনো কাজ হয়নি। আমরা চাই উপজেলা প্রশাসন অতি দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করবেন।
 
এ বিষয়ে হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মামুন কালের কণ্ঠকে বলেন, ওই এলাকায় পানি নিষ্কাশনের জন্য পাইপ বসানো আছে। তবে পানি দ্রুত নিষ্কাশন না হওয়ায় এই সমস্যা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি অবগত রয়েছে ও ওই এলাকা পরিদর্শন করে এসেছে। বরাদ্দ পেলেই সমস্যা সমাধনের জন্য কাজ শুরু করা হবে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা