kalerkantho

শনিবার  । ১৯ অক্টোবর ২০১৯। ৩ কাতির্ক ১৪২৬। ১৯ সফর ১৪৪১                     

সাঁথিয়ায় টয়লেটে মিলল শিশুর লাশ, চাচি আটক

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, পাবনা   

২৬ জুন, ২০১৯ ০১:০৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সাঁথিয়ায় টয়লেটে মিলল শিশুর লাশ, চাচি আটক

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় গতকাল মঙ্গলবার বিকালে টয়লেটের কুয়া থেকে রবিউল ফকির (৪) নামের এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে শিশুটির চাচি কণা খাতুনকে (৩৫) আটক করেছে। 
 
আটকের সময় শিশুটির স্বজন ও এলাকাবাসী বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাঁকে ঘেরাও করে রেখেছিল। মঙ্গলবার সকাল থেকে শিশুটি নিখোঁজ ছিল।
 
পুলিশ ও নিহত শিশুটির স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, সাঁথিয়া উপজেলার করমজা মল্লিকপাড়া গ্রামের শামীম ফকিরের একমাত্র ছেলে রবিউল ফকিরকে তার মা হাতে বিস্কুট দিয়ে সাংসারিক কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। এর পর সকাল ৯টা থেকে শিশুটির আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। শিশুটির খোঁজে তার স্বজনরা এলাকায় মাইকিং করেন ও ডিস লাইনে বিজ্ঞাপন দেন। শেষে গতকাল বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে তাকে তার চাচার বাড়ির টয়লেটের কুয়ার ভেতরে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। শিশুটিকে গলায় কাপড় জড়িয়ে শ্বাস রোধ করে হত্যা করার চিহ্ন রয়েছে। 
 
এদিকে গতকাল সকাল থেকেই শিশুটির চাচি কণা খাতুন রহস্যজনক আচরণ করছিলেন বলে জানা গেছে। এক পর্যায়ে তিনি অসুস্থ হওয়ার কথা বলে বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। লাশ উদ্ধারের পর শিশুটির স্বজনসহ এলাকাবাসী চাচি কণা খাতুনকে এ হত্যার সঙ্গে জড়িত বলে সন্দেহ করেন। 
 
এর ফলে তাঁরা উত্তেজিত হয়ে বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থান নেন। বিষয়টি জানতে পেরে বেড়া মডেল থানা পুলিশ সেখানে গিয়ে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে কণা খাতুনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
 
এ ব্যাপারে বেড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ জিল্লুর রহমান বলেন, ‘লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে শিশুটির বাড়ি গিয়ে কয়েক হাজার উত্তেজিত জনতাকে দেখতে পাই। সেখান থেকে বিশেষ সূত্রে খবর পাওয়া যায় শিশুটির চাচি কণা খাতুন এ হত্যার সঙ্গে জড়িত এবং তিনি বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হয়েছে। 
 
খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে তাঁকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি এবং লাশ ময়না তদন্তের জন্য পাবনা সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।’ 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা