kalerkantho

সোমবার । ২২ জুলাই ২০১৯। ৭ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৮ জিলকদ ১৪৪০

হিমালয়ের হিমবাহ রেকর্ড হারে গলছে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ জুন, ২০১৯ ০৪:১৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হিমালয়ের হিমবাহ রেকর্ড হারে গলছে

২০০০ সাল থেকে হিমালয়ের হিমবাহ গলার হার দ্বিগুণ হয়েছে বলে নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে। এ পর্যন্ত হিমবাহ যতখানি গলেছে, তার এক-চতুর্থাংশ গলেছে গত চার দশকে। হিমবাহ গলার হার খুব দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় ভবিষ্যতে ভয়ংকর পরিস্থিতির আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা। সম্প্রতি এসংক্রান্ত গবেষণা নিবন্ধ সাময়িকী ‘সায়েন্স অ্যাডভান্সেস’-এ প্রকাশিত হয়েছে।

এ গবেষণায় সত্তর দশকে মার্কিন গোয়েন্দা স্যাটেলাইট এবং আধুনিক স্যাটেলাইটের উপাত্ত সমন্বিতভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর মাধ্যমে দুই হাজার কিলোমিটারজুড়ে বিস্তৃত হিমালয়ের হিমবাহসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানা সম্ভব হয়েছে।

গবেষণায় বলা হয়, প্রতিবছর হিমালয়ে ৮০০ কোটি টন বরফ গলছে। এ সময়ে নিম্ন স্তরের হিমবাহের উচ্চতা প্রতিবছর পাঁচ মিটার করে সংকুচিত হয়েছে। মনুষ্য কর্মকাণ্ডে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়াকে এ পরিস্থিতির জন্য দায়ী করা যেতে পারে।

এ গবেষণায় নেতৃত্ব দিয়েছেন কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যামন্ট-ডোহার্টি আর্থ অবজারভেটরির অধ্যাপক জশুয়া মৌরার। তিনি বলেন, ১৯৭৫ সাল থেকে হিমালয়ের হিমবাহ গলার চিত্র ও কারণ এ গবেষণায় পরিষ্কারভাবে উঠে এসেছে।

সহগবেষক অধ্যাপক জর্জ শ্যাফার বলেন, দ্বিগুণ হারে হিমবাহ গলার ঘটনা খুবই উদ্বেগজনক। ভবিষ্যতে যে ভয়ংকর পরিস্থিতি তৈরি হতে যাচ্ছে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

গত ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, হিন্দুকুশ হিমালয় পর্বতমালার এক-তৃতীয়াংশ বরফ এ শতাব্দীর শেষ নাগাদ গলে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কার্বন নিঃসরণে জোরালো ব্যবস্থা নেওয়ার পরও এই ক্ষতি ঠেকানো সম্ভব হবে না। ব্যবস্থা নেওয়া না হলে গলনের হার দুই-তৃতীয়াংশ হবে। এমন পরিস্থিতিতে হিমালয় থেকে প্রবাহিত নদীগুলো নিয়ে বড় ধরনের উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ভারত, পাকিস্তান, চীন ও অন্যান্য দেশে বন্যার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। 

সূত্র : গার্ডিয়ান।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা