kalerkantho

মঙ্গলবার। ১৬ জুলাই ২০১৯। ১ শ্রাবণ ১৪২৬। ১২ জিলকদ ১৪৪০

টাকা নিয়ে উধাও সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসের নাইট গার্ড!

দিরাই-শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি   

২০ জুন, ২০১৯ ২২:২১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



টাকা নিয়ে উধাও সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসের নাইট গার্ড!

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসের নাইটগার্ড কাম পরিচ্ছন্ন কর্মী মনি সরকারি জমি রেজিষ্ট্রির ফিসহ বিপুল পরিমাণ টাকা নিয়ে উধাও হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে দিরাই থানায় একটি জিডি করা হয়েছে। 

এই ব্যাপারে জানতে জেলা রেজিষ্ট্রার সাইফুল ইসলাম দিরাই উপজেলা রেজিষ্ট্রি অফিস পরিদর্শন করেছেন। সেই সাথে অফিস সহকারী ইলিয়াছ মিয়া ও আভা পুরকায়স্থ্যকে সাময়িক বরখাস্ত করেছেন। এছাড়াও ছাতক উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রার আব্দুল করিমকে প্রধান, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রার মোহাম্মদ জাফর আহমেদ, জগন্নাথপুর ইপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রার শওকত হোসেন অফিকে সদস্য করে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি  তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার তিন সদস্যের এ প্রতিনিধি দল দিরাই সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসে এসে তদন্ত কাজ শুরু করেছেন। 

অফিস ও সোনালী ব্যাংক ব্যাংক দিরাই উপজেলা শাখা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা সাবরেজিষ্ট্রি অফিসে রেজিষ্ট্রিকৃত দলিলের পে-অর্ডারগুলো অধিকাংশ সময় নাইটগার্ড কাম পরিচ্ছন্নকর্মী মনি সরকার ব্যাংকে জমা করতো। ২৮ মে চার লাখ ২২ হাজার টাকার ৪টি পে-অর্ডার ব্যাংকে জমা দেয়ার কথা থাকলে তা জমা না দিয়ে ৩০ মে ২টি ও ৩ জুন আরও ২টি পে অর্ডার মাহতাবপুরের সন্ধীপের নামে করা হয়। ১০ জুন নাইট গার্ড মনি সরকার পে-অর্ডারের চালান জমা দিতে গেলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে চালানে গড়মিল ধরা পড়ে। বিষয়টি ব্যাংক কর্তৃপক্ষ মোবাইল ফোনে উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রার আব্দুল বাতেনকে অবহিত করেন। এর পর থেকেই আর মনি সরকার অফিসে আসেনি। ১৬ জুন দিরাই থানায় মনি সরকারের কর্মস্থলে অনুপস্থিতি নিয়ে সাধারণ ডায়রি করেন সাব-রেজিষ্ট্রার আব্দুল বাতেন। 

সাব-রেজিষ্ট্রার আব্দুল বাতেন বলেন, ব্যাংকে অফিস সহকারীর টাকা জমা করার কথা। মনি কিভাবে ব্যাংকে টাকা জমা দেয় তা আমি বুঝতেছিনা। ব্যাংক থেকে আমাকে জানানোর পর অফিসের স্টাফদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাই। এর পর থেকে মনি সরকারকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। এখনই কিছু বলা যাবে না। ব্যাংক স্ট্যাটমেন্ট সংগ্রহ করা হয়েছে। অফিসের লেজারের সাথে মিলিয়ে দেখতে হবে গড়মিল আছে কি না। সরকারের ট্রেজারি একাউন্ট হিসেবে জমা না দিয়ে পে-অর্ডার জালিয়াতি করে কত টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে তা এখনও পরিষ্কার কেউ বলতে পারছেন না। মনিকে ধরতে পারলেই সবকিছু বের হয়ে আসবে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা