kalerkantho

শনিবার । ২০ জুলাই ২০১৯। ৫ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৬ জিলকদ ১৪৪০

ভবদহে জলাবদ্ধতার : আমডাঙ্গা খাল খননের দাবি অভয়নগরবাসীর

অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি   

২০ জুন, ২০১৯ ১৩:৪০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ভবদহে জলাবদ্ধতার : আমডাঙ্গা খাল খননের দাবি অভয়নগরবাসীর

যশোরের অভয়নগরে ভবদহের জলাবদ্ধতার হাত থেকে বাঁচতে আমডাঙ্গা খাল খননের দাবি করেছে অভয়নগরবাসী। খালের ৬ ভেল্ট স্লুইস গেটের নষ্ট কপাট দিয়ে ভৈরব নদের পানি ঢুকছে। খালসহ স্লুইস গেটের দুই পাশে পলি জমায় বন্ধ হয়ে গেছে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা। হুমকির মুখে রয়েছে উপজেলার সুন্দলী, চলিশিয়া, পায়রা ইউনিয়নসহ নওয়াপাড়া পৌরসভার ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডবাসী, শতশত মৎস্য ঘের ও ফসলি জমি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিরুদ্ধে তদারকি না করার অভিযোগ। 

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতায় খাল খননের সিদ্ধান্তের কথা বললেন অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানালেন যশোর জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী। 

জানা যায়, অভয়নগর উপজেলার ভবদহ এলাকায় প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। আর এ জলাবদ্ধতার হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রতিবছর কয়েকটি খাল খননের কাজ জরুরি হয়ে পড়ে। যার মধ্যে অন্যতম আমডাঙ্গা খাল। বর্তমানে এই খালে পলি জমায় পানিপ্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে বর্ষার শুরুতে উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন ও পৌরসভার ৩টি ওয়ার্ডের হাজার হাজার মানুষ, শতশত মৎস্য ঘের ও ফসলি জমি ব্যাপক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।  

সরেজমিনে আমডাঙ্গা খাল ও ৬ ভেল্টের স্লুইস গেটে গিয়ে দেখা যায়, গেটের ৩টি নষ্ট কপাট দিয়ে ভৈরব নদের পানি ঢুকছে। গেটম্যান নেই। স্থানীয়রা জানায়, খালের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও স্লুইস গেটের মুখে ব্যাপক পলি জমার কারণে জোয়ারের পানি ভাটার সময় বের হয় না। আর এই লবণাক্ত পানি ঢোকায় ক্ষতি হচ্ছে মৎস্য ঘের ও ফসলি জমির। দ্রুত সময়ের মধ্যে খনন কাজ শুরু করতে না পারলে এলাকায় ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সাথে জলাবদ্ধতার ঝুঁকি তো রয়েছেই। 

আমডাঙ্গা খাল সংগ্রাম কমিটির নেতা ও স্থানীয় সুন্দলী ইউপি সদস্য ইকবাল হোসেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিরুদ্ধে তদারকি না করার অভিযোগ করে বলেন, চলতি বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার শঙ্কা শতভাগ। জরুরিভাবে খাল খনন প্রয়োজন। 

অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহীনুজ্জামান বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা বলে আমডাঙ্গা খালের বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যশোর জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রবীর কুমার গোস্বামী বলেন, আমডাঙ্গা খালের স্লুইস গেটের তিনটি নষ্ট কপাট দ্রুত পরিবর্তন করা হবে। গেট ও খালে পলি জমার বিষয়ে কিছুই জানেন না তিনি। সরেজমিনে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান তিনি।   

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা