kalerkantho

বুধবার । ১৭ জুলাই ২০১৯। ২ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৩ জিলকদ ১৪৪০

জুলাইয়ে সেনাবাহিনীর সহায়তায় চট্টগ্রামে খাল উদ্ধার অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১৯ জুন, ২০১৯ ০৪:৫৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জুলাইয়ে সেনাবাহিনীর সহায়তায় চট্টগ্রামে খাল উদ্ধার অভিযান

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে নগরীর খালগুলোর ওপর গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান অবশেষে শুরু হচ্ছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম উন্নয়ণ কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) সম্মেলন কক্ষে ‘চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন’ শীর্ষক সমন্বয়সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সভায় সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভীর মাজহার সিদ্দিকী, সিডিএ চেয়ারম্যান এম জহিরুল আলম দোভাষ, সিডিএ সচিব তাহের ফেরদৌসসহ প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং সিডিএ, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, ওয়াসা, পিডিবিসহ সেবাদানকারী সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সিডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক আহমেদ মাঈনুদ্দিন বলেন, সমন্বয়সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে নগরীর ১৩টি খালের ওপর গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহ থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করবে সেনাবাহিনী। পাশাপাশি ভূমি অধিগ্রহণের কাজও শুরু হবে।

২০১৮ সালের ৯ এপ্রিল চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে গৃহীত মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে সিডিএর সমঝোতা চুক্তি হয়েছিল। পাঁচ হাজার ৬১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকার মেগা প্রকল্পে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর খালের উভয় পাশে রিটেইনিং ওয়াল, রাস্তা নির্মাণ ও নিচু ব্রিজগুলো ভেঙে উঁচু করার কাজ শুরু করে। 

পাশাপাশি খাল থেকে ময়লা পরিষ্কার কার্যক্রমও শুরু হয়। তিন বছর মেয়াদি এ প্রকল্পে প্রাথমিক পর্যায়ে ২০১৮ সালে ৩৬ খালের মাটি অপসারণসহ ৩০০ কিলোমিটার নতুন ড্রেন নির্মাণ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। এ ছাড়া প্রকল্পের আওতায় নতুন করে ১০০ কিলোমিটার ড্রেন নির্মাণ, ২০২০ সালের মধ্যে নগরে ৩৬টি খাল খনন, খালের পাশে ১৭৬ কিলোমিটার প্রতিরোধক দেয়াল, ৮৫ কিলোমিটার সড়ক, ৪২টি সিল্ট ট্র্যাপসহ নানা অবকাঠামো নির্মাণ করার কথা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা