kalerkantho

সোমবার । ২২ জুলাই ২০১৯। ৭ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৮ জিলকদ ১৪৪০

পাটক্ষেতে দুই কিশোরের অর্ধগলিত লাশ, নেপথ্যে ছিনতাই?

ধামইরহাট-পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি   

১৮ জুন, ২০১৯ ১৯:৩১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাটক্ষেতে দুই কিশোরের অর্ধগলিত লাশ, নেপথ্যে ছিনতাই?

নওগাঁর ধামইরহাটে পাটক্ষেত থেকে দুই কিশোরের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত কিশোর রিমন অটো চার্জার চালাতো। দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে অটো চার্জার ছিনতাই করে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ মর্গে প্রেরণ করেছে। 

জানা গেছে, আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে ধামইরহাট উপজেলার ইসবপুর ইউনিয়নের পরানপুর ও মহাদেবপুর গ্রামের সন্নিকটে ব্রিজের পাশে একটি নির্জন পাটক্ষেত থেকে দুই কিশোরের অর্ধগলিত লাশের গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি এলাকাবাসীর নজরে আসলে তারা তাৎক্ষণিক থানা পুলিশকে জানায়। থানা পুলিশ পাটক্ষেতের ভেতর থেকে অর্ধগলিত দুই কিশোরের লাশ উদ্ধার করে। 

নিহত দুই কিশোর হলো জয়পুরহাট সদর থানার দোগাছি ইউনিয়নের অন্তর্গত বিল্লাহ পশ্চিমপাড়া গ্রামের শহীদুল ইসলামের ছেলে রিমন হোসেন (১৬) এবং রিমনের চাচাতো ভাই জহুরুল ইসলামের ছেলে জাকির হোসেন (১৬)। 

রিমন হোসেনের বাবা শহীদুল ইসলাম বলেন, গত ১৩ জুন বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে তার ছেলে ভাড়ায়চালিত অটো চার্জার জয়পুরহাট মাছুয়া বাজার থেকে মঙ্গলবাড়ী যাওয়ার উদ্দেশে একটি রিজার্ভ ভাড়া নিয়ে যায়। সঙ্গে রিমনের চাচাতো ভাই জাকির হোসেনও ছিল। কিন্তু রাতে তারা বাড়ি না ফেয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ-খবর নেওয়া হয়। তাদের কোনো সন্ধান না পাওয়ায় গত সোমবার জয়পুরহাট জেলা শহর ও তার আশপাশ এলাকায় মাইকিং করা হয়। গত ১৪ জুন তারিখের রিমনের মা রেনুয়ারা বাদী হয়ে জয়পুরহাট সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে। শহীদুল ইসলাম আরো বলেন, দুর্বৃত্তরা অটো চার্জারটি ছিনতাইয়ের জন্য রিজার্ভ ভাড়া নেয় এবং তাদেরকে হত্যা করে। এদিকে অটো চার্জারের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। 

ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকিরুল ইসলাম বলেন, পুলিশ খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। লাশ দুটো অর্ধগলিত অবস্থায় ছিল। মাথার চুল ছিল না। হাত ও পায়ের কবজি কাটা ছিল। ধারণা করা হচ্ছে দুর্বৃত্তরা অটো চার্জারটি ছিনতাইয়ের জন্য তাদেরকে হত্যা করে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত থানায় পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা