kalerkantho

শনিবার । ২০ জুলাই ২০১৯। ৫ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৬ জিলকদ ১৪৪০

মাকে গলা কেটে হত্যা, অস্ত্রের মুখে মেয়েকে ধর্ষণ

মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি   

১৮ জুন, ২০১৯ ১৪:১৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মাকে গলা কেটে হত্যা, অস্ত্রের মুখে মেয়েকে ধর্ষণ

ঘাতক ও ধর্ষক সামিউল ইসলাম সাগর। ছবি : কালের কণ্ঠ

নওগাঁর মান্দায় মাকে গলা কেটে হত্যার পর অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিহত নারী (৪০) উপজেলার প্রসাদপুর ইউনিয়নের দ্বারিয়াপুর গ্রামের এমদাদুল হক মন্ডলের স্ত্রী। 

সোমবার দিবাগত গভীর রাতে নিহতের শয়নঘরে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে ঘাতক-ধর্ষক সামিউল ইসলাম সাগরকে (২২) আটক করে পুলিশ। আটক সাগর উপজেলার কুসুম্বা ইউনিয়নের চকশ্যামরা গ্রামের জান মোহাম্মদের ছেলে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহতের স্বামী এমদাদুল হক জানান, আমি নাটোরর একটি ফার্মে নৈশপ্রহরীর চাকরি করি। বাড়িতে স্ত্রী ও ছোট মেয়ে এক সঙ্গে থাকত। সোমবার গভীর রাতে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে স্ত্রীর মৃত্যুর সংবাদ জানতে পারি।

মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন জানান, নিহতের ছোট মেয়ের সঙ্গে আটক সাগরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি সেই সম্পর্কে টানাপড়েন শুরু হয়। ঘটনার রাতে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে একটি চাকু নিয়ে তাদের বাড়িতে যায় সাগর। বাড়ির পেছন দিক দিয়ে ছাদে উঠে অপেক্ষা করতে থাকে। এ সময় সাগর যৌন উত্তেজক পানীয় পান করে। পরে ছাদ থেকে নেমে মেয়েটির ঘরে যায়। এ সময় নিহত ওই নারী ও তার মেয়ে একই ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। 

ওসি আরো জানান, সাগর ও মেয়েটি কথা বলার সময় নিহত ওই নারী জেগে ওঠে। তখন সাগর তার কাছে থাকা চাকু দিয়ে তার শরীরে একাধিক আঘাত করে। এতে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তাকে জবাই করে হত্যা করে সাগর। পরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নিহতের মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়। 

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক সাগর এ ধরনের তথ্য দিয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি। সাগর জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায়, অপরাধকর্ম সংঘটিত করে পায়ে হেঁটে বুড়িদহ খেয়াঘাটের বাঁশের সাঁকো দিয়ে নদী পার হওয়ার সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকুটি নদীতে ফেলে দিয়ে সে বাড়ি চলে আসে। 

ওসি বলেন, নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত ও ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নওগাঁ হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা