kalerkantho

সোমবার । ২২ জুলাই ২০১৯। ৭ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৮ জিলকদ ১৪৪০

কালের কণ্ঠ অনলাইনে সংবাদ প্রকাশ

বড়লেখায় সেই ট্যাংক সরানো ও শহীদ মিনার মেরামতের নির্দেশ

বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি   

১৭ জুন, ২০১৯ ২২:৪৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বড়লেখায় সেই ট্যাংক সরানো ও শহীদ মিনার মেরামতের নির্দেশ

ছবি : কালের কণ্ঠ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার দাসের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সিঁড়ি ভেঙে নির্মাণ করা শৌচাগারের ট্যাংক সরানো এবং শহীদ মিনার মেরামতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে সরেজমিনে বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার দেখে এ নির্দেশ দেন বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শামীম আল ইমরান।

গতকাল রবিবার কালের কণ্ঠ অনলাইনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে ‘শহীদ মিনারের সিঁড়ি ভেঙে শৌচাগারের ট্যাংক নির্মাণ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হলে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। সংবাদ প্রকাশের পরিপ্রেক্ষিতে আজ সোমবার সকাল বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দাসেরবাজার উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পান। 

এই সময় বড়লেখা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাওলাদার আজিজুল ইসলাম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা উবায়েদ উল্লাহ খান, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি স্বপন চক্রবর্ত্তী, প্রধান শিক্ষক দীপক রঞ্জন দাস, ইউনিয়ন আ. লীগের সভাপতি হাজী মুছব্বির আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শহীদ মিনারের একাংশ ভেঙে শৌচাগারের ট্যাংক নির্মাণের ঘটনায় বিদ্যালয় কমিটির সভাপতির ওপর চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি সংশ্লিষ্টদের দ্রুত সময়ের মধ্যে শৌচাগারের ট্যাংক সরানোর এবং শহীদ মিনার মেরামতের নির্দেশ দেন।

জানা গেছে, ভবনের পেছনে পর্যাপ্ত জায়গা থাকা স্বত্বেও দাসের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সিঁড়ি ভেঙে নতুন একাডেমিক ভবনের শৌচাগারের নিরাপত্তা ট্যাংক নির্মাণ করা হয়। এটি নির্মাণের ফলে বিভিন্ন মহলে চরম ক্ষোভ ও অসস্তোষ বিরাজ করছিল।

এই বিষয়ে বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শামীম আল ইমরান আজ সোমবার বলেন, ‘সংবাদটি দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর তাৎক্ষণিক বিদ্যালয়ে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পাই। প্রধান শিক্ষক, কমিটির সভাপতি ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীকে শৌচাগারের ট্যাংক সরিয়ে ভবনের পেছনে নেয়া ও টাইলস্ দিয়ে শহীদ মিনার মেরামতের নির্দেশ দিয়েছি।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা