kalerkantho

মঙ্গলবার। ১৬ জুলাই ২০১৯। ১ শ্রাবণ ১৪২৬। ১২ জিলকদ ১৪৪০

বাঁশখালীর অপহৃতা মাদরাসাছাত্রীকে পতেঙ্গা থেকে উদ্ধার

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

১৬ জুন, ২০১৯ ২১:২০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাঁশখালীর অপহৃতা মাদরাসাছাত্রীকে পতেঙ্গা থেকে উদ্ধার

অপহরণের ২৬ দিন পর চট্টগ্রামের বাঁশখালীর ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক মাদরাসাছাত্রীকে উদ্ধার করেছে বাঁশখালী থানা পুলিশ। এ সময় পুলিশ অপহরণকারী মো. মুরাদ প্রকাশ মুরালীকে গ্রেপ্তার করেছে। তিনি আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের দক্ষিণ গহিরা গ্রামের মৃত মফজল আহমদের পুত্র।

আজ রবিবার বিকেল ৩টার দিকে পতেঙ্গার বিজয়নগর এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, অপহরণকারী মুরাদের বাড়ি আনোয়ারা উপজেলায় হলেও বাঁশখালীর রায়ছটা গ্রামে তার আত্মীয় রয়েছে। তিন সন্তানের জনক মুরাদ আত্মীয়তার সুবাদে প্রায়ই বাঁশখালী আসতেন। ওই ছাত্রী মাদরাসায় আসা-যাওয়ার পথে নানাভাবে উত্যক্ত করতেন মুরাদ। বিষয়টি মুরাদের স্থানীয় আত্মীয়কে জানালে উত্যক্ততা আরো বেড়ে যায়। গত ২২ মে ওই ছাত্রী মাদরাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে মুরাদ তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এরপর অপহৃতার বাবা খোঁজ করেও তার খোঁজ পাননি। কয়েকদিন পূর্বে অপহরণকারী মুরাদ অপহৃতার বাবাকে ফোন করে বলেন, ৫০ হাজার টাকা পাঠিয়ে দাও। নচেৎ তোমার মেয়েকে পাবে না। এরপর গত শনিবার রাতে অপহৃতার বাবা বিষয়টি জানিয়ে থানায় এজাহার দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জলিল বলেন, এজাহারটি পেয়ে অপহরণকারী মুরাদকে রবিবার পতেঙ্গা থানার বিজয়নগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপহৃতা ছাত্রীও উদ্ধার করা হয়েছে।

অপহৃতার বাবা বলেন, আমি দরিদ্র ও অশিক্ষিত এক রিক্সা গ্যারেজ ম্যাকানিক। ৬ কন্যার বাবা। কোনো ছেলে সন্তান নেই। অনেক কষ্টে মেয়েগুলোকে খেয়ে না খেয়ে লেখাপড়া শিখিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছি। বখাটে মুরাদ আমার কন্যাকে অপহরণ করে আমাকে চরমভাবে হতাশায় ফেলেছিল। দীর্ঘদিন ধরে অসহায়ত্বের মাঝে গ্রামের মো. জসীম নামে এক ব্যক্তির কথায় শনিবার রাতে বাঁশখালী থানায় এজাহার দায়ের করি। পুলিশ কম সময়ে যে আমার মেয়েকে আমার বুকে ফিরিয়ে দিয়েছে সেজন্য পুলিশ প্রশাসনকে অসংখ্য ধন্যবাদ। পুলিশ যে ভালো কাজ করে তা বুঝতে পারলাম।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা