kalerkantho

শনিবার  । ১৯ অক্টোবর ২০১৯। ৩ কাতির্ক ১৪২৬। ১৯ সফর ১৪৪১                     

ফলো আপ

চলন্ত বাসে ধর্ষণচেষ্টা, চালক ও হেলপার তিন দিনের রিমান্ডে

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৬ জুন, ২০১৯ ১৭:২৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চলন্ত বাসে ধর্ষণচেষ্টা, চালক ও হেলপার তিন দিনের রিমান্ডে

মানিকগঞ্জে ঘিওরে চলন্ত বাসে জর্ডান ফেরত নারীকে ধর্ষণ চেষ্টা মামলার আসামি স্বপ্ন পরিবহনের চালক ও হেলপারকে তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ রবিবার দুপুরে জেলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৮ এর ঘিওর আমলী আদালতের বিচারক রওশনারা বেগম তাদের এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ ঘটনায় শনিবার চালক নায়েব আলী ও হেলপার সোহাগ কে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করে  আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে বিজ্ঞ আদালত দীর্ঘ শুনানী শেষে তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বাসের চালক জেলার হরিরামপুর উপজেলার উত্তর মেরুন্ডী এলাকার শীতল মোল্লার ছেলে এবং হেলপার নাটোরের নলডাঙ্গা  ঠাকুর লক্ষীপুর এলাকার হায়দার আলীর ছেলে।   

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঘিওর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আলতাফ হোসেন কালের কণ্ঠকে জানান, ধর্ষণের চেষ্টা মামলার আসামি স্বপ্ন পরিবহনের চালক ও হেলপারকে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করে আদালতে হাজির করা হয়। পরে বিজ্ঞ আদালত তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এখন আসামিদের পুলিশি হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যেমে জানা যাবে আসলে তাদের মূল উদ্দেশ্য কি ছিল। এ ছাড়া এ ঘটনায় তাদের সাথে আর কেউ জড়িত আছে কি-না সে বিষয়ে খতিয়ে দেখা হবে।

ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুল আলম জানান, জর্ডান ফেরত ওই নারী শুক্রবার সন্ধায় শাহ জালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা দিয়ে মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে নামেন। এর পর তার গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জের ঘিওরের উদ্দেশে স্বপ্ন পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন। রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় বাসে থাকা সকল যাত্রী নেমে যায়। এ সময় ঘিওরে ধলেশ্বরী নদীর স্টিলের ব্রিজ পার হবার পর বাসের লাইট বন্ধ করে দিয়ে হেলপার ও চালক তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় ওই নারী বাসের ভেতরে থেকে চিৎকার শুরু করে। এ সময় ঘিওরে পয়লা এলাকায় বাসটি স্পিড ব্রেকার পার হবার সময় হেলপারকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে লাফ দেয় ওই নারী। পরে বাসের চালক ও হেলপার দ্রুত বেগে দৌলতপুরের দিকে বাস চালিয়ে যায়। তখন স্থানীয়রা বাসটিকে ধাওয়া দেয় এবং দৌলতপুর থানা পুলিশকে খবর দেয়। পরে দৌলতপুর থানা পুলিশ বাসের হেলপার ও চালককে আটক করে। পরে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই নারী বাদী হয়ে ঘিওর থানায় একটি মামলা করেছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা