kalerkantho

রবিবার । ১৯ জানুয়ারি ২০২০। ৫ মাঘ ১৪২৬। ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

গৃহবধূকে গাছে বেঁধে নির্যাতন : আসামি নাসিমার ৪ দিনের রিমান্ড

শেরপুর প্রতিনিধি   

১৬ জুন, ২০১৯ ১৩:২৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গৃহবধূকে গাছে বেঁধে নির্যাতন : আসামি নাসিমার ৪ দিনের রিমান্ড

নির্যাতিতা গৃহবধূকে দেখতে রবিবার হাসপাতালে যান শেরপুর জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুব। ছবি : কালের কণ্ঠ

শেরপুরে নকলার কায়দা গ্রামে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ ডলি খানমকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় গ্রেপ্তারকৃত আসামি নাসিমা আক্তারের ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। ১৬ জুন রবিবার সকালে বিচারিক হাকিম শরীফুল ইসলাম খান রিমান্ড শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এদিকে, জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুব রবিবার বেলা ১১টার দিকে নির্যাতিতা গৃহবধূ ডলি খানমকে দেখতে জেলা হাসপাতালে যান। তিনি তার শারীরিক অবস্থা এবং চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন এবং এ বিষয়ে জেলা হাসপাতালের চিকিৎসকদের সাথে কথা বলেন। তিনি ডলি খানমের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার নিদের্শ দেন। একই সাথে তিনি ভিকটিম এবং তার পরিবারকে ন্যায়বিচার পেতে সকল প্রকার সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন।

এ সময় সিভিল সার্জন ডা. মো. রেজাউল করিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এহসানুল মামুন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. আমিনুল ইসলাম, জেলা হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. খাইরুল কবীর সুমনসহ জেলা হাসপাতালের চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন। 

এর আগে শনিবার রাতে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন, জনউদ্যোগ, হিন্দু সম্পতিতে নারীর উত্তরাধিকার বাস্তবায়ন কমিটি শেরপুর জেলা শাখা নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে গঠিত একটি প্রতিনিধিদল জেলা হাসপাতালে ভর্তি ভিকটিমকে দেখতে যান এবং তার পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করেন।
 
গত ১০ মে শেরপুরে নকলার কায়দা গ্রামে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ ডলি খানমকে গাছে বেঁধে বর্বরোচিত নির্যাতন এবং ওই নির্যাতনে তার গর্ভের সন্তান বিনষ্টের অভিযোগ ওঠে। ঘটনার এক মাস পর গত ১১ জুন নির্যাতনের একটি ভিডিও ভাইরাল হলে তোলপাড় শুরু হয়। পরবর্তীতে পুলিশ সুপারের নির্দেশে গত ১২ জুন নকলা থানা পুলিশ নির্যাতিতাকে বাদী করে ৯ জনের নামোল্লেখসহ আরো অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জনকে আসামি করে একটি মামলা রেকর্ড করে। 
এর মধ্যে এ ঘটনায় কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগে নকলা থানার ওসি কাজী শাহ নেওয়াজ এবং এসআই ওমর ফারুককে প্রত্যাহার করা হয়েছে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা