kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৩ আষাঢ় ১৪২৭। ৭ জুলাই ২০২০। ১৫ জিলকদ  ১৪৪১

আদালতে স্বীকারোক্তি

চলন্ত মোটরসাইকেলে দুই বন্ধুর গলায় ছুরি চালান তরিকুল!

দিনাজপুর প্রতিনিধি    

১৬ জুন, ২০১৯ ১১:৩৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চলন্ত মোটরসাইকেলে দুই বন্ধুর গলায় ছুরি চালান তরিকুল!

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় দুই বন্ধু হানিফুর রহমান (২৪) ও বিপ্লব চন্দ্র রায়কে (২৩) হত্যার কথা স্বীকার করেছেন তাঁদের আরেক বন্ধু গ্রেপ্তারকৃত তরিকুল ইসলাম (২৭)। তরিকুল বলেছেন, তিনি চলন্ত মোটরসাইকেলে চাকু দিয়ে দুই বন্ধুকে হত্যা করেন। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় দিনাজপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুজ্জামানের আদালতে এ জবানবন্দি দেন তরিকুল। গত ৩০ মে বীরগঞ্জের দেবীপুর গ্রাম থেকে হানিফুর ও বিপ্লবের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

গতকাল শনিবার সকালে দিনাজপুরের পুলিশ সুপার সৈয়দ আবু সায়েম সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান। তরিকুল বীরগঞ্জের শতগ্রাম ইউনিয়নের পালপাড়া গ্রামের গিয়াস উদ্দীনের ছেলে। তরিকুলের বরাত দিয়ে পুলিশ সুপার সৈয়দ আবু সায়েম জানান, তরিকুল, হানিফুর ও বিপ্লব তিন বন্ধু। তিনজনই মাদক বিক্রেতা ও সেবনকারী। ঘটনার আগের দিন হানিফুর ও বিপ্লব মোটরসাইকেলযোগে বীরগঞ্জের ঝাড়বাড়ী বাজারে তরিকুলের সঙ্গে দেখা করতে যান। পরে তিন বন্ধু একই মোটরসাইকেলযোগে নীলফামারীর দেবীগঞ্জ বাজারে যান। সেখানে তরিকুল দুই বন্ধুর অজান্তে দোকান থেকে একটি ধারালো চাকু কিনে কোমরে লুকিয়ে রাখেন। এর পর তাঁরা হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ইয়াবা ট্যাবলেট ও দুটি ফেনসিডিল বোতল কেনেন। সেই ফেনসিডিল তিন বন্ধু খেয়ে বীরগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দেন। দেবীপুর গ্রামে পৌঁছলে চলন্ত মোটরসাইকেলের পেছনে বসা তরিকুল চাকুটি দিয়ে বিপ্লবের গলায় কয়েকটা টান মারেন এবং চালক হানিফুরকে মোটরসাইকেল স্লো করার কথা বলেই হানিফুরের গলায় চাকুটি দিয়ে কয়েকটি টান মারেন। এতে মোটরসাইকেলসহ তিনজন পড়ে যান। ঘটনাস্থলেই বিপ্লব ও হানিফুরের মৃত্যু হয়। পরে মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যান তরিকুল।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা