kalerkantho

মঙ্গলবার। ১৬ জুলাই ২০১৯। ১ শ্রাবণ ১৪২৬। ১২ জিলকদ ১৪৪০

প্রবাসী নারীকে চলন্ত বাসে ধর্ষণের চেষ্টা

একজনকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে রক্ষা, চালক ও সহকারী গ্রেপ্তার

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি    

১৬ জুন, ২০১৯ ০৯:২৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রবাসী নারীকে চলন্ত বাসে ধর্ষণের চেষ্টা

মানিকগঞ্জের ঘিওরে একটি চলন্ত বাসে জর্দানফেরত এক নারীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বাসের চালক ও সহকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত শুক্রবার রাতে ঢাকা-দৌলতপুর-টাঙ্গাইল আঞ্চলিক মহাসড়কে পয়লা এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে। একপর্যায়ে একজনকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে বাস থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মরক্ষা করেন ওই নারী। বাসের চালক নায়েব আলী ও সহকারী সোহাগকে গতকাল শনিবার আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড (জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজত) চাওয়া হয়েছে।

নায়েব আলীর বাড়ি জেলার হরিরামপুর উপজেলার উত্তর মেরুন্ডী এলাকায়। আর সহকারী সোহাগের বাড়ি নাটোরের নলডাঙ্গার ঠাকুর লক্ষ্মীপুর।

ঘিওর থানার ওসি মো. আশরাফুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কালের কণ্ঠকে বলেন, ভুক্তভোগী ওই নারী ঘিওর থানায় একটি মামলা করেছেন। আসামিদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, জর্ডান ফেরত ওই নারী শুক্রবার সন্ধ্যায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা দিয়ে মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে নামেন। এরপর তাঁর গ্রামের বাড়ি ঘিওরের উদ্দেশে স্বপ্ন পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন। বাসের অন্য সব যাত্রী পথে বিভিন্ন জায়গায় নেমে যায়। ঘিওরে ধলেশ্বরী নদীর সেতু পার হওয়ার পর বাসের আলো বন্ধ করে দিয়ে সহকারী সোহাগ ও চালক নায়েব আলী ওই নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। তাতে ওই নারী চিৎকার শুরু করেন। ঘিওরে পয়লা এলাকায় বাসটি স্পিড ব্রেকার পার হওয়ার সময় সোহাগকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে লাফ দেন ওই নারী। ওই অবস্থায় বাসের চালক ও সহকারী দ্রুত দৌলতপুরের দিকে বাস চালিয়ে যায়। তখন স্থানীয় লোকজন বাসটি ধাওয়া করে এবং দৌলতপুর থানা পুলিশকে খবর দেয়। পরে দৌলতপুর থানা পুলিশ বাসের হেলপার ও চালককে আটক করে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা